Breaking news
প্রবাস

ভিসা বিষয়ে বাংলাদেশিদের সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট ডেস্ক রিপোর্ট
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ • 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের বেশ কিছু কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সতর্ক করে শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর সকালে তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বার্তা প্রকাশ করেছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেয়া এই নির্দেশনায় মূলত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, উক্ত নির্দিষ্ট ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কোন কাজগুলো করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

 

দূতাবাসের প্রকাশিত ওই বার্তায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বি১/বি২ ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সন্তান জন্ম দেয়া বা ‘বার্থ ট্যুরিজম’ কোনোভাবেই অনুমোদিত নয়। এর পাশাপাশি ভিজিটর ভিসায় সেখানে অবস্থান করে কোনো মার্কিন নিয়োগকর্তা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে পারিশ্রমিক বা অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে চাকরি অথবা কাজ করা যাবে না। ঠিক একইভাবে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি বা একাডেমিক ক্রেডিট অর্জনের লক্ষ্যে পূর্ণকালীন পড়াশোনা করাও এই ভিজিটর ভিসার শর্তের সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। যেকোনো ধরনের পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কর্মসংস্থানে যুক্ত হওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে এবং ভ্রমণের আগেই এই ভিসার সমস্ত শর্ত ও বিধিনিষেধ সম্পর্কে যথাযথভাবে অবগত হওয়ার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

এর আগে গত ২২ আগস্ট বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ করেও ঠিক একই ধরনের একটি সতর্কবার্তা প্রদান করেছিল মার্কিন দূতাবাস। সেই সময় প্রকাশিত বার্তায় বলা হয়েছিল যে, নির্ধারিত পড়াশোনার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন কোনো কাজে যুক্ত হওয়া, ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা, নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম এড়িয়ে চলা কিংবা নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে না জানিয়ে মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিলে ওই শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল হয়ে যেতে পারে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী বিদেশিদের সংশ্লিষ্ট ভিসার নির্ধারিত শর্তগুলো সঠিকভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে এবং ভিসার যেকোনো রকম অপব্যবহার এড়ানোর উদ্দেশ্যেই দূতাবাসের পক্ষ থেকে এসব সতর্কবার্তা দেয়া হচ্ছে।

 

0 Comments

Popular post
চিঠি

সাদা খামে লিখব চিঠি মায়ের ঠিকানায় মা যে আমার বেঘোর ঘুমে একলা নিরালায়।   গাছের ছায়ায় নিরিবিলি মেলে না চোখ  আর মা মা বলে ডাকি কত আমি যে বারবার।   চিঠি পেলে যদি মায়ের ভাঙে এবার ঘুম ঝাঁপটে ধরে মায়ের পায়ে দেব হাজার চুম।   আঁচল তলে চুপটি করে লুকিয়ে আমার মুখ গন্ধ নেব মায়ের গায়ের লুটব যত সুখ।   লক্ষ্মী পিয়ন কথা রেখো মাকে চিঠি দিয়ো আসা যাওয়ার ভাড়াটুকু আমার থেকে নিয়ো।   বড়ই আশায় আছি আমি পাব মায়ের খোঁজ তথ্য নিতে আসব আমি তোমার বাড়ি রোজ।  

ন-নামা

না জানিয়া না বুঝিয়া না শুনিয়া না মানিয়া নাইতে নামিয়া নদীতে নমিতা নাশিকায় নিশ্বাস নিতে নাপারিয়া নিমেষেই নিজের নাড়ির নিনাদ নিষ্প্রাণ নীরব, নিষ্প্রভ, নীলাভ।   না হেরি নিলয়ে না খেয়ে না নেয়ে নমিতার নৃপতি নব নিশীথে নিবিড় নৈবেদ্যে নমিল নিজেকে নদে   নীলাম্বরের নির্মেঘ নিশি নির্দয় নহরের নির্জনতা নাশি নীপবনে না জানি নিবংশ নমিতা নিরধির নির্ঝর নিধি, নিপাবলির নিরন্তর নৃত্যে নিজেকে নাটকীয় নৈকট্যে নিবেদন।   নেই! নেই! নিয়তির নির্মম নিঘাত নমিতা নিধনে নদ নিত্য নিশাত নীহারিকায় নির্লিপ্ত নিগূঢ় নির্বিকার।   নমিতা নাই-বা নামিবে নরকায় নিষেধ নেই তো নিগ্রহ নাশি নমিতার নিত্য নাদিম নব নিরুদ্দেশী।  

কিশোর গ্যাং এবং আমাদের তরুণ প্রজন্ম

একটি দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো তার তরুণ প্রজন্ম। তারুণ্যের উদ্দীপনা, সৃষ্টিশীলতা এবং অদম্য শক্তিই একটি রাষ্ট্রকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক অন্যতম প্রধান উদ্বেগের নাম ‘কিশোর গ্যাং’। কৈশোরের যে সময়টিতে হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, খেলার বল কিংবা সৃজনশীলতার উপকরণ, সেই বয়সে একশ্রেণির কিশোরের হাতে দেখা যাচ্ছে ধারালো অস্ত্র, মাদক এবং অপরাধের নীল নকশা। আমাদের অমিত সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ যেভাবে এই চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তা কেবল একটি পারিবারিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে।   সাধারণত ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোরদের দলবদ্ধ হয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার সংস্কৃতিকে 'কিশোর গ্যাং' বলা হয়। মনোবিজ্ঞানী ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, কৈশোরে দলবদ্ধ হয়ে থাকার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা থাকে, যা তাদের সামাজিকীকরণে সাহায্য করে। কিন্তু এই দলবদ্ধতা যখন নেতিবাচক রূপ নেয় এবং পাড়া-মহল্লায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা ও খুনোখুনির মতো অপরাধে জড়ায়, তখন তা গ্যাং কালচারে পরিণত হয়। বর্তমান সমাজে এর বিস্তৃতি রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা শহর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন নামে এরা নিজেদের দল পরিচালনা করে এবং নিজেদের শক্তির জানান দিতে প্রায়ই লিপ্ত হয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে।   কোনো কিশোর একদিনেই অপরাধী বা গ্যাংয়ের সদস্য হয়ে ওঠে না, এর পেছনে রয়েছে সামাজিক, পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক নানাবিধ কারণ। বর্তমান যুগের যান্ত্রিক জীবনে পারিবারিক অসচেতনতা ও দূরত্বের অভাব এর অন্যতম প্রধান কারণ। পরিবারের সঠিক তদারকি না থাকা, মা-বাবার মধ্যকার কলহ এবং সন্তানদের সাথে গুণগত সময় না কাটানোর ফলে কিশোররা একাকিত্বে ভোগে এবং এই শূন্যতা পূরণের জন্য বাইরের বন্ধুদের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে শহরাঞ্চলে কিশোরদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ কিংবা বিনোদনের চরম সংকট রয়েছে। ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি প্রকাশের কোনো সুস্থ মাধ্যম তারা পাচ্ছে না।   এই গ্যাং কালচার গড়ে ওঠার পেছনে আরেকটি বড় জ্বালানি হিসেবে কাজ করে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু ‘বড় ভাই’। এই স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বা মিছিল-মিটিংয়ে লোক বাড়াতে কিশোরদের ব্যবহার করে এবং তাদের আইনি সুরক্ষা দেয়ার লোভ দেখিয়ে অপরাধের পথে ঠেলে দেয়। একই সাথে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তির অপব্যবহার ও সোশ্যাল মিডিয়া। টিকটক, লাইকি বা বিভিন্ন অনলাইন গেমসের মাধ্যমে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভ এবং ইন্টারনেটে সহিংসতা দেখে তারা বাস্তবেও তার অনুকরণ করার চেষ্টা করে। এর ওপর মাদকের সহজলভ্যতা কিশোরদের আরও বেশি বেপরোয়া করে তুলছে, কারণ নেশার টাকা জোগাড় করতেই তারা প্রথম দিকে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে নামছে। কিশোর গ্যাং কালচার আমাদের সামগ্রিক তরুণ প্রজন্মের মনস্তত্ত্বে এক গভীর ক্ষত তৈরি করছে এবং দেশের মেধার অপচয় ঘটাচ্ছে।   দেশের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি এই তরুণরা যখন পড়ালেখা ছেড়ে অপরাধের খাতায় নাম লেখায়, তখন দেশ এক বিশাল দক্ষ জনশক্তি হারায়। এর ফলে সমাজে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়, যার কারণে সাধারণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীরাও স্কুল-কলেজে যেতে ভয় পায়। পাড়া-মহল্লায় এই ভয়ের সংস্কৃতি সুস্থ তরুণদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। তা ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার দেখে অন্য সাধারণ কিশোরদের মধ্যেও আইন অমান্য করা, বড়দের অসম্মান করা এবং দ্রুত ও অনৈতিক উপায়ে টাকা আয়ের ভুল মানসিকতা বা নৈতিক অবক্ষয় তৈরি হচ্ছে। এই কিশোর অপরাধ কেবল তরুণদেরই ধ্বংস করছে না, বরং সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তাকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে। চুরি, ছিনতাই এবং তুচ্ছ কারণে খুনের ঘটনা প্রতিনিয়ত খবরের কাগজের শিরোনাম হচ্ছে।   আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত এদের গ্রেপ্তার করলেও মূল শেকড় উপড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, কারণ এদের পেছনে থাকা গডফাদাররা অধরাই থেকে যায়। একটি দেশের তরুণ সমাজ যদি এভাবে অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে সেই রাষ্ট্রের টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এ-জাতীয় ব্যাধি থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে সমন্বিত ও বহুমুখী উদ্যোগ প্রয়োজন, যার সূচনা হতে হবে পরিবার থেকে। মা-বাবাকে সন্তানের প্রতি আরও বন্ধুসুলভ হতে হবে এবং সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে বা ইন্টারনেটে কী দেখছে—সে বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ রাখতে হবে। এর পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাঠাগার গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায়।   প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানকে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়া অত্যন্ত জরুরি, যা তাদের ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে শেখাবে। একই সাথে কিশোরদের যারা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, সেই সব তথাকথিত রাজনৈতিক বড় ভাইদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোরও উচিত কিশোরদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বন্ধ করা। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি কিশোর অপরাধীদের সাধারণ জেলে না রেখে কিশোর উন্নয়ন বা সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো উচিত। সেখানে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে তাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।   তরুণ প্রজন্ম একটি দেশের স্বপ্ন, প্রেরণা ও সম্ভাবনার প্রতীক। কিশোর গ্যাংয়ের মতো একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি এই বিপুল সম্ভাবনাকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে না। এটি কেবল আইন প্রয়োগ করে বা জোরপূর্বক দমন করা সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক আন্দোলন। সরকার, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজ যদি একযোগে কাজ করে কিশোরদের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, তবেই আমাদের তরুণ প্রজন্ম এই অন্ধকার পথ থেকে ফিরে আসবে এবং একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারবে।  

সেই নীড়

যাচ্ছি  আমি নীড় ছেড়ে ইট পাথরের নগরে। দুঃখ আমার চিরসাথী বিষাদময় এ জীবনের। বাস্তবতার দাবদাহে পুড়ছি আমি অবিরাম। দেখছি কত বহুরূপী আঁধার এ পৃথিবীতে। সইছি কত বিষ-বাণী  কাছের প্রিয় মানুষ হতে শত বাধার ভিড়ে আমি জয়ী হয়ে ফিরব নীড়ে ফিরব আমি বীরের বেশে চিরচেনা সেই নীড়ে।  

শরৎ

শরতের আকাশ যেন সাদা মেঘের ভেলা শরতে স্বচ্ছ সরোবরে দলবেঁধে মেটে রাজহাঁস খেলে ডুব-সাঁতারের খেলা।   শরতের মাঠে মাঠে মাথা নেড়ে দোলে শুভ্র রঙের কাশ শরতের নীল আকাশে উড়ে বেড়ায় লাল ঝুঁটি ভূঁতিহাস।   শরতে পথে পথে ফোটে শিউলি, শেফালি ও টগর শরতে তালের পিঠা উৎসবে মাতে পল্লি থেকে নগর। শরতে হাওর বিলে পদ্ম শাপলা মুখ বের করে হাসে। শরতে ভোরের শিশির মিশে থাকে সবুজ দূর্বাঘাসে।  

প্রবাস

View more
ছবি : সংগৃহীত
সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কুমিল্লার প্রবাসী যুবক সজিব নিহত

সৌদি আরবে এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মো. সজিব (২৬) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তিনি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে। ২০২৩ সালে জীবিকার তাগিদে দেশটিতে পাড়ি জমানো সজিব জুবাইল শহরে কর্মরত অবস্থায় গত রোববার এ হামলার শিকার হন।   পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য সজিবের মৃত্যুর খবর সৌদি আরবে থাকা তাঁর বন্ধু স্বজনদের নিশ্চিত করেন। একমাত্র অবলম্বনকে হারিয়ে পরিবারে এখন গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা দ্রুত সজিবের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।   স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিহত প্রবাসীর তথ্য সংগ্রহসহ মরদেহ দ্রুত দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিশ্চিত করেছেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সজিবের মরদেহ স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রশাসন থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।  

অক্টোবর ৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

ছবি : সংগৃহীত

কানাডা থেকে বছরের প্রথম ৮ মাসে ৩৪০ বাংলাদেশি বহিষ্কার

ফ্রান্সে বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালিত : SAF-এর আয়োজনে দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর অংশগ্রহণ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার আগেই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এজেন্সিগুলো

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। তবে কর্মী নিয়োগের সঠিক প্রক্রিয়া ব্যাপকভাবে প্রচার না হওয়ায় চাকরিপ্রত্যাশীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম বিভ্রান্তি। তথ্যের এই ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে দালাল ও বিভিন্ন এজেন্সি নানা প্রলোভন দেখিয়ে তরুণদের আকৃষ্ট করছে।   পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সতর্কবার্তা দিয়ে আপাতত পাসপোর্ট জমা ও অর্থ লেনদেন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। তা সত্ত্বেও একশ্রেণির রিক্রুটিং ও ট্রাভেল এজেন্সি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। অতীতেও সঠিক তথ্যের অভাবে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়, প্রতারণা ও নিঃস্ব হয়ে দেশে ফেরার মতো তিক্ত অভিজ্ঞতা বহু কর্মীকে ভোগ করতে হয়েছে।   এদিকে কর্মী পাঠাতে ৩৩৮টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশের পর সিন্ডিকেট নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ২৫টি মূল এজেন্সির অধীনে ২৫০টি সহযোগী এজেন্সি থাকায় প্রশ্ন উঠেছে—সহযোগীরা কি সরাসরি কর্মী পাঠাতে পারবে, নাকি মধ্যস্বত্বভোগী হয়ে কাজ করবে। অতীতের মতোই নতুন এই কাঠামো কার্যত সিন্ডিকেশন প্রথা বজায় রাখবে কি না, তা নিয়ে খাতসংশ্লিষ্টদের মধ্যে গভীর সংশয় রয়েছে।   তবে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে বোয়েসেলের মাধ্যমে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা চলছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে আটকে পড়া প্রায় ৫ হাজার কর্মীকে অগ্রাধিকার দিয়ে চার্টার্ড ফ্লাইটে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই মডেলটি বৃহত্তর পরিসরে কার্যকর করা গেলে তা স্বচ্ছ ও নিরাপদ অভিবাসনের অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।   স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারি প্রচার কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত দ্রুত ও সহজবোধ্য করা অত্যন্ত জরুরি। ইউনিয়ন সেন্টার ও টিটিসিগুলোকে শুধু নিবন্ধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নির্ভরযোগ্য তথ্যকেন্দ্রে রূপান্তর করতে হবে। কেবল কতজন কর্মী পাঠানো হলো তা নয়; বরং স্বচ্ছতা, সুরক্ষা এবং কম খরচে কর্মী পাঠানোর নিশ্চয়তাই নির্ধারণ করবে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার এবার সত্যিই সিন্ডিকেটমুক্ত হলো কি না।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ভিসা বিষয়ে বাংলাদেশিদের সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস

ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় ৫২৮ অভিবাসী আটক, বাংলাদেশি ২৪৫ জন

ছবি : সংগৃহীত

লন্ডনে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আব্দুল মুহিত

ছবি : সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় যৌন ব্যবসার অভিযোগে বাংলাদেশি-থাই দম্পতিসহ আটক ২৬

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বিদেশি নারীদের দিয়ে পরিচালিত একটি কথিত যৌন ব্যবসা চক্রের সন্ধান পেয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। গত ১৯ আগস্ট বুধবার রাতে কুচাই লামা ও জালান গেলুগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাংলাদেশি-থাই দম্পতি এবং প্রতিষ্ঠানের পাহারাদার বা ‘ক্যাপ্টেন’ হিসেবে কর্মরত এক মালয়েশীয়সহ মোট ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে। দুই সপ্তাহের গোয়েন্দা নজরদারির পর পুত্রজায়ার ইমিগ্রেশন গোয়েন্দা দল এই অভিযানটি পরিচালনা করে।   ২০ আগস্ট ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, আটককৃত ২৬ জনের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে বাংলাদেশি, থাই, মালয়েশীয়, মিয়ানমার, ইন্দোনেশীয় ও ভিয়েতনামী নাগরিক রয়েছেন, যাঁদের বেশির ভাগই নারী। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই বিদেশিদের কারও কাছেই মালয়েশিয়ায় অবস্থানের বৈধ পাসপোর্ট বা ভিসা ছিল না। অভিযান চলাকালে বেশ কয়েকটি পাসপোর্ট, মোবাইল ফোন, কনডম এবং নগদ ১,২১৫ রিঙ্গিত জব্দ করা হয়েছে।   তিনি আরও জানান, একটি আবাসিক ও একটি বাণিজ্যিক স্থাপনা ব্যবহার করে এই অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে মূলত ক্লাং ভ্যালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের গ্রাহক হিসেবে আকৃষ্ট করা হতো। মূল হোতারা কর্মীদের পাসপোর্ট নিজেদের কাছে আটকে রেখে গোপনে এই কার্যক্রম চালাত। আবাসিক স্থাপনায় ৬০ মিনিটের জন্য ২০০ রিঙ্গিত এবং বাণিজ্যিক স্থাপনায় ৯০ মিনিটের জন্য ২৬০ থেকে ৪০০ রিঙ্গিত ফি নেয়া হতো। তদন্তে জানা যায়, চক্রটি প্রায় দুই মাস ধরে এই ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।   আটক বিদেশি দম্পতি ও স্থানীয় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ৫৬(১)(ডি) ধারায় এবং অন্য বিদেশিদের বিরুদ্ধে ৬(১)(সি) ধারায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য আটকদের ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।  

আগস্ট ২০, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের বাফেলোতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকার প্রবাসীদের মিলনমেলা

প্রতীকী ছবি

গ্রিস উপকূলে ২ শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার : বেশির ভাগই বাংলাদেশি

ছবি : সংগৃহীত

প্রবাসীদের পাসপোর্ট আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

সংশ্লিষ্ট খবর

ছবি : সংগৃহীত
প্রবাস

সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কুমিল্লার প্রবাসী যুবক সজিব নিহত

অক্টোবর ৫, ২০২৬ 0