Breaking news
অর্থনীতি

প্রবাসীদের সঞ্চয় থেকে চলতি মূলধন ঋণ দেয়ার সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট ডেস্ক রিপোর্ট
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ • 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

তারল্য সংকট কাটাতে ব্যাংকগুলোর অফশোর ইউনিটে থাকা প্রবাসীদের বৈদেশিক মুদ্রার আমানত দেশীয় ব্যাংকিং ইউনিটে স্থানান্তরের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার ৪ আগস্ট জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, এই তহবিল থেকে পর্যাপ্ত জামানতের বিপরীতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধন ও ভোক্তা ঋণ দেয়া যাবে।

 

নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, স্থানান্তরিত এসব অর্থ দিয়ে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যবসায়ীদের স্বল্পমেয়াদি চলতি মূলধনের জোগান দেয়া যাবে। এ ছাড়া সাধারণ ব্যক্তি, প্রবাসী বা তাঁদের মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানিকেও পর্যাপ্ত জামানতের বিপরীতে ঋণ দেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

 

সম্প্রতি দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে যাওযায় ব্যাংকগুলোর অফশোর ইউনিটে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় ও তারল্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। অন্যদিকে দেশের অনেক ব্যাংক ঋণ বিতরণে তীব্র তারল্য সংকটে ভুগছে বলে অলস পড়ে থাকা এসব অর্থের যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করতেই মূলত এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

 

প্রবাসীদের আমানতের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে সাধারণত উচ্চ হারে মুনাফা দিতে হয়, যা অফশোর ইউনিটে অলস পড়ে থাকলে নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যাংকগুলোকে লোকসান গুনতে হয়। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাংকগুলো এসব অর্থ ঋণ হিসেবে বিতরণ করে আয় করতে পারবে এবং সেই আয় থেকে সহজেই প্রবাসীদের মুনাফা মেটাতে সক্ষম হবে।

 

0 Comments

Popular post
চিঠি

সাদা খামে লিখব চিঠি মায়ের ঠিকানায় মা যে আমার বেঘোর ঘুমে একলা নিরালায়।   গাছের ছায়ায় নিরিবিলি মেলে না চোখ  আর মা মা বলে ডাকি কত আমি যে বারবার।   চিঠি পেলে যদি মায়ের ভাঙে এবার ঘুম ঝাঁপটে ধরে মায়ের পায়ে দেব হাজার চুম।   আঁচল তলে চুপটি করে লুকিয়ে আমার মুখ গন্ধ নেব মায়ের গায়ের লুটব যত সুখ।   লক্ষ্মী পিয়ন কথা রেখো মাকে চিঠি দিয়ো আসা যাওয়ার ভাড়াটুকু আমার থেকে নিয়ো।   বড়ই আশায় আছি আমি পাব মায়ের খোঁজ তথ্য নিতে আসব আমি তোমার বাড়ি রোজ।  

ন-নামা

না জানিয়া না বুঝিয়া না শুনিয়া না মানিয়া নাইতে নামিয়া নদীতে নমিতা নাশিকায় নিশ্বাস নিতে নাপারিয়া নিমেষেই নিজের নাড়ির নিনাদ নিষ্প্রাণ নীরব, নিষ্প্রভ, নীলাভ।   না হেরি নিলয়ে না খেয়ে না নেয়ে নমিতার নৃপতি নব নিশীথে নিবিড় নৈবেদ্যে নমিল নিজেকে নদে   নীলাম্বরের নির্মেঘ নিশি নির্দয় নহরের নির্জনতা নাশি নীপবনে না জানি নিবংশ নমিতা নিরধির নির্ঝর নিধি, নিপাবলির নিরন্তর নৃত্যে নিজেকে নাটকীয় নৈকট্যে নিবেদন।   নেই! নেই! নিয়তির নির্মম নিঘাত নমিতা নিধনে নদ নিত্য নিশাত নীহারিকায় নির্লিপ্ত নিগূঢ় নির্বিকার।   নমিতা নাই-বা নামিবে নরকায় নিষেধ নেই তো নিগ্রহ নাশি নমিতার নিত্য নাদিম নব নিরুদ্দেশী।  

কিশোর গ্যাং এবং আমাদের তরুণ প্রজন্ম

একটি দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো তার তরুণ প্রজন্ম। তারুণ্যের উদ্দীপনা, সৃষ্টিশীলতা এবং অদম্য শক্তিই একটি রাষ্ট্রকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক অন্যতম প্রধান উদ্বেগের নাম ‘কিশোর গ্যাং’। কৈশোরের যে সময়টিতে হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, খেলার বল কিংবা সৃজনশীলতার উপকরণ, সেই বয়সে একশ্রেণির কিশোরের হাতে দেখা যাচ্ছে ধারালো অস্ত্র, মাদক এবং অপরাধের নীল নকশা। আমাদের অমিত সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ যেভাবে এই চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তা কেবল একটি পারিবারিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে।   সাধারণত ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোরদের দলবদ্ধ হয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার সংস্কৃতিকে 'কিশোর গ্যাং' বলা হয়। মনোবিজ্ঞানী ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, কৈশোরে দলবদ্ধ হয়ে থাকার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা থাকে, যা তাদের সামাজিকীকরণে সাহায্য করে। কিন্তু এই দলবদ্ধতা যখন নেতিবাচক রূপ নেয় এবং পাড়া-মহল্লায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা ও খুনোখুনির মতো অপরাধে জড়ায়, তখন তা গ্যাং কালচারে পরিণত হয়। বর্তমান সমাজে এর বিস্তৃতি রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা শহর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন নামে এরা নিজেদের দল পরিচালনা করে এবং নিজেদের শক্তির জানান দিতে প্রায়ই লিপ্ত হয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে।   কোনো কিশোর একদিনেই অপরাধী বা গ্যাংয়ের সদস্য হয়ে ওঠে না, এর পেছনে রয়েছে সামাজিক, পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক নানাবিধ কারণ। বর্তমান যুগের যান্ত্রিক জীবনে পারিবারিক অসচেতনতা ও দূরত্বের অভাব এর অন্যতম প্রধান কারণ। পরিবারের সঠিক তদারকি না থাকা, মা-বাবার মধ্যকার কলহ এবং সন্তানদের সাথে গুণগত সময় না কাটানোর ফলে কিশোররা একাকিত্বে ভোগে এবং এই শূন্যতা পূরণের জন্য বাইরের বন্ধুদের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে শহরাঞ্চলে কিশোরদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ কিংবা বিনোদনের চরম সংকট রয়েছে। ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি প্রকাশের কোনো সুস্থ মাধ্যম তারা পাচ্ছে না।   এই গ্যাং কালচার গড়ে ওঠার পেছনে আরেকটি বড় জ্বালানি হিসেবে কাজ করে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু ‘বড় ভাই’। এই স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বা মিছিল-মিটিংয়ে লোক বাড়াতে কিশোরদের ব্যবহার করে এবং তাদের আইনি সুরক্ষা দেয়ার লোভ দেখিয়ে অপরাধের পথে ঠেলে দেয়। একই সাথে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তির অপব্যবহার ও সোশ্যাল মিডিয়া। টিকটক, লাইকি বা বিভিন্ন অনলাইন গেমসের মাধ্যমে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভ এবং ইন্টারনেটে সহিংসতা দেখে তারা বাস্তবেও তার অনুকরণ করার চেষ্টা করে। এর ওপর মাদকের সহজলভ্যতা কিশোরদের আরও বেশি বেপরোয়া করে তুলছে, কারণ নেশার টাকা জোগাড় করতেই তারা প্রথম দিকে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে নামছে। কিশোর গ্যাং কালচার আমাদের সামগ্রিক তরুণ প্রজন্মের মনস্তত্ত্বে এক গভীর ক্ষত তৈরি করছে এবং দেশের মেধার অপচয় ঘটাচ্ছে।   দেশের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি এই তরুণরা যখন পড়ালেখা ছেড়ে অপরাধের খাতায় নাম লেখায়, তখন দেশ এক বিশাল দক্ষ জনশক্তি হারায়। এর ফলে সমাজে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়, যার কারণে সাধারণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীরাও স্কুল-কলেজে যেতে ভয় পায়। পাড়া-মহল্লায় এই ভয়ের সংস্কৃতি সুস্থ তরুণদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। তা ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার দেখে অন্য সাধারণ কিশোরদের মধ্যেও আইন অমান্য করা, বড়দের অসম্মান করা এবং দ্রুত ও অনৈতিক উপায়ে টাকা আয়ের ভুল মানসিকতা বা নৈতিক অবক্ষয় তৈরি হচ্ছে। এই কিশোর অপরাধ কেবল তরুণদেরই ধ্বংস করছে না, বরং সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তাকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে। চুরি, ছিনতাই এবং তুচ্ছ কারণে খুনের ঘটনা প্রতিনিয়ত খবরের কাগজের শিরোনাম হচ্ছে।   আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত এদের গ্রেপ্তার করলেও মূল শেকড় উপড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, কারণ এদের পেছনে থাকা গডফাদাররা অধরাই থেকে যায়। একটি দেশের তরুণ সমাজ যদি এভাবে অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে সেই রাষ্ট্রের টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এ-জাতীয় ব্যাধি থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে সমন্বিত ও বহুমুখী উদ্যোগ প্রয়োজন, যার সূচনা হতে হবে পরিবার থেকে। মা-বাবাকে সন্তানের প্রতি আরও বন্ধুসুলভ হতে হবে এবং সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে বা ইন্টারনেটে কী দেখছে—সে বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ রাখতে হবে। এর পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাঠাগার গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায়।   প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানকে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়া অত্যন্ত জরুরি, যা তাদের ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে শেখাবে। একই সাথে কিশোরদের যারা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, সেই সব তথাকথিত রাজনৈতিক বড় ভাইদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোরও উচিত কিশোরদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বন্ধ করা। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি কিশোর অপরাধীদের সাধারণ জেলে না রেখে কিশোর উন্নয়ন বা সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো উচিত। সেখানে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে তাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।   তরুণ প্রজন্ম একটি দেশের স্বপ্ন, প্রেরণা ও সম্ভাবনার প্রতীক। কিশোর গ্যাংয়ের মতো একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি এই বিপুল সম্ভাবনাকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে না। এটি কেবল আইন প্রয়োগ করে বা জোরপূর্বক দমন করা সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক আন্দোলন। সরকার, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজ যদি একযোগে কাজ করে কিশোরদের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, তবেই আমাদের তরুণ প্রজন্ম এই অন্ধকার পথ থেকে ফিরে আসবে এবং একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারবে।  

সেই নীড়

যাচ্ছি  আমি নীড় ছেড়ে ইট পাথরের নগরে। দুঃখ আমার চিরসাথী বিষাদময় এ জীবনের। বাস্তবতার দাবদাহে পুড়ছি আমি অবিরাম। দেখছি কত বহুরূপী আঁধার এ পৃথিবীতে। সইছি কত বিষ-বাণী  কাছের প্রিয় মানুষ হতে শত বাধার ভিড়ে আমি জয়ী হয়ে ফিরব নীড়ে ফিরব আমি বীরের বেশে চিরচেনা সেই নীড়ে।  

শরৎ

শরতের আকাশ যেন সাদা মেঘের ভেলা শরতে স্বচ্ছ সরোবরে দলবেঁধে মেটে রাজহাঁস খেলে ডুব-সাঁতারের খেলা।   শরতের মাঠে মাঠে মাথা নেড়ে দোলে শুভ্র রঙের কাশ শরতের নীল আকাশে উড়ে বেড়ায় লাল ঝুঁটি ভূঁতিহাস।   শরতে পথে পথে ফোটে শিউলি, শেফালি ও টগর শরতে তালের পিঠা উৎসবে মাতে পল্লি থেকে নগর। শরতে হাওর বিলে পদ্ম শাপলা মুখ বের করে হাসে। শরতে ভোরের শিশির মিশে থাকে সবুজ দূর্বাঘাসে।  

অর্থনীতি

View more
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কঠিন শর্তে ৩৩০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার

বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানি অব্যাহত রাখতে মোট ৩৩০ কোটি ডলারের কঠিন শর্তের বিদেশি ঋণ অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সচিবালয়ে অনমনীয় ঋণ সম্পর্কিত স্থায়ী (এসসিএনসিএল) কমিটির সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অনুমোদিত অর্থের মধ্যে বিআরইবির বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ২০ কোটি ডলার এবং জরুরি জ্বালানি আমদানির জন্য ভূতাপেক্ষ অনুমোদনে রয়েছে ৩১০ কোটি ডলার।   বিদ্যুৎ খাতের প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে নেয়া হচ্ছে ২০ কোটি ডলার। সিকিউর্ড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেটের (এসওএফআর) সঙ্গে অতিরিক্ত ০.৫ শতাংশ স্প্রেডযুক্ত এই ২৫ বছর মেয়াদি ঋণে গ্র্যান্ট এলিমেন্ট মাত্র ৫.৭০ শতাংশ হওয়ায় এটি অনমনীয় ঋণ হিসেবে বিবেচিত। এ অর্থ দিয়ে ঢাকাসংলগ্ন ১৩টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে লাইন নির্মাণ, উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সিস্টেম লস কমিয়ে সরবরাহ উন্নত করা হবে।   জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরবভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি) থেকে নেয়া হচ্ছে ৩১০ কোটি ডলারের স্বল্পমেয়াদি ঋণ। এর মধ্যে বিপিসির তেল আমদানিতে ২৫০ কোটি এবং পেট্রোবাংলার এলএনজি আমদানিতে ৬০ কোটি ডলার ব্যয় হবে। ছয় মাস মেয়াদি এই ঋণের সুদের হার নির্ধারিত হয়েছে ছয় মাসের টার্ম এসওএফআরের সঙ্গে ১.৭০ শতাংশ যুক্ত করে।   ইআরডির নীতিমালা অনুযায়ী, অনমনীয় বৈদেশিক ঋণের দায় পরিশোধের ব্যয় যাতে মোট রপ্তানি আয়ের ১০ শতাংশ কিংবা রাজস্ব আয়ের ১৫ শতাংশ ছাড়িয়ে না যায়, তা বিবেচনায় রাখা হয়েছে। জাতীয় অগ্রাধিকার এবং নিজস্ব সক্ষমতা থেকে পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত করেই জরুরি জ্বালানি সরবরাহ অটুট রাখতে এ বিশাল অঙ্কের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার।  

অক্টোবর ৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

‘মিউজ’ এআই চালু করার পর মেটার শেয়ারের দাম আকাশচুম্বী

ছবি : সংগৃহীত

প্রবাসীদের সঞ্চয় থেকে চলতি মূলধন ঋণ দেয়ার সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি : সংগৃহীত

বেতন বৃদ্ধির অজুহাতে পণ্যের দাম না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রতি এফবিসিসিআইয়ের কড়া বার্তা

প্রতীকী ছবি
গাড়ির যন্ত্রাংশের আড়ালে রেঞ্জ রোভার ও বিএমডব্লিউ আমদানি, জব্দ করেছে কাস্টমস

গাড়ির পুরোনো যন্ত্রাংশের ঘোষণা দিয়ে আনা কোটি টাকা মূল্যের চারটি বিলাসবহুল গাড়ি মোংলা বন্দরে জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। শতভাগ কায়িক পরীক্ষায় চালানটিতে রেঞ্জ রোভার ভোগ, বিএমডব্লিউ ৬৫০আই, লেক্সাস এলএক্স৫৭০ ও টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেটের বড় অংশ শনাক্ত করা হয়েছে।   কাস্টমস গোয়েন্দারা জানান, আস্ত গাড়িগুলোকে সাধারণ যন্ত্রাংশ হিসেবে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না করে মাত্র তিন-চারটি বড় অংশে কেটে আনা হয়েছে, যা পরে জোড়া লাগিয়ে মূল কাঠামোতে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।   প্রায় ১০ হাজার ২২০ কেজি ওজনের এই চালানে দরজা, ইঞ্জিন, গিয়ারসহ নানা যন্ত্রাংশ ঘোষণা করা হলেও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৯ জুলাই এর খালাস স্থগিত করে কাস্টমস। পরে বিআরটিএ, কুয়েটের বিশেষজ্ঞ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় গাড়ির পরিচয় ও মডেল শনাক্ত করা হয়। জানা গেছে, শনাক্ত হওয়া ২০১৭ সালের রেঞ্জ রোভার, ২০১০ সালের বিএমডব্লিউ, ২০১৬ সালের লেক্সাস ও টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট—এই চারটি গাড়ির সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ থেকে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকার বেশি।   অথচ পুরো চালানের ঘোষিত মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র ৭ হাজার ৯৩৫ মার্কিন ডলার, যার বিপরীতে শুল্ক-করসহ পরিশোধযোগ্য অর্থ আসে প্রায় ৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। কাস্টমস গোয়েন্দা জানিয়েছে, খণ্ডিত অবস্থাতেও এগুলো সম্পূর্ণ গাড়ির বৈশিষ্ট্য বহন করায় সে অনুযায়ী শুল্কায়ন করা হবে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা ঠেকাতে তাদের নজরদারি ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।  

আগস্ট ২৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বম্বে সুইটসের মসলা, বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বিএসটিআই

ছবি : সংগৃহীত

একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ প্রকল্প অনুমোদন

ছবি : সংগৃহীত

শেয়ারবাজারে ঋণ সুবিধার নতুন বিধিমালার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ

ছবি : সংগৃহীত
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় নতুন আইনের খসড়া

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনা এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ইতোমধ্যে খসড়াটি প্রকাশ করেছে। বর্তমানে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাচাই-বাছাই ও নীতিগত পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে। তথ্যসূত্র : বাসস   প্রস্তাবিত এই আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডকে (সিএমএসএফ) একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই আইন কার্যকর হলে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা নগদ লভ্যাংশ, বোনাস ও রাইটস শেয়ার, রিফান্ড অর্থ ও আইপিওর অনাদায়ী অর্থ ফান্ডের অধীনে পরিচালিত হবে। তবে প্রকৃত মালিক বা তাঁদের উত্তরাধিকারীরা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে এসব সম্পদ পুনরায় ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন।   নতুন আইনটির ফলে সিএমএসএফ একটি আধুনিক নগদ লভ্যাংশ বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর নগদ লভ্যাংশ বিতরণ প্রক্রিয়া আরও ডিজিটাল, স্বচ্ছ ও কেন্দ্রীভূত হবে। বিনিয়োগকারীরা একই প্ল্যাটফর্ম থেকে তাঁদের প্রাপ্ত লভ্যাংশ এবং উৎসে কর কর্তনের সম্পূর্ণ চালান ও সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন, যা কর সংক্রান্ত বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতাকে অনেক সহজ করে তুলবে।   ফান্ডের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে দৈনন্দিন কাজ পরিচালিত হবে। পাশাপাশি তদারকির জন্য বিভিন্ন আর্থিক ও পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ একটি শক্তিশালী পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফান্ডের সুষ্ঠু পরিচালনায় নিয়মিত নিরীক্ষা ও বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের আইনি বাধ্যবাধকতাও থাকছে। এ ছাড়া তথ্য গোপন, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান বা ফান্ডের সম্পদ অপব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির সুস্পষ্ট বিধান রাখা হয়েছে। নতুন আইনটি কার্যকর হলে বিদ্যমান ২০২১ সালের বিধিমালা বাতিল হয়ে যাবে।   খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, এই আইন দেশের পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এ বিষয়ে সিএমএসএফের অপারেশন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওয়াসি আজম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, প্রস্তাবিত আইনটি কার্যকর হলে অব্যবহৃত বিনিয়োগকারীর সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে এবং পুরো ব্যবস্থাটি ডিজিটাল ও স্বচ্ছ হওয়ার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।  

আগস্ট ২, ২০২৬ 0

দশ বছর পর চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে চাইনিজ ইকোনমিক জোনের নির্মাণকাজ

পানিসংকটে দুর্ভোগে পড়েছেন ঈশ্বরদীর পাটচাষিরা

পানিসংকটে জাগ দিতে না পেরে দুর্ভোগে পড়েছেন ঈশ্বরদীর পাটচাষিরা

বাংলা কিউআর লেনদেন সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করবে : গভর্নর

সংশ্লিষ্ট খবর

অর্থনীতি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কঠিন শর্তে ৩৩০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার

অক্টোবর ৮, ২০২৬ 0