Breaking news

হুথি

ছবি : সংগৃহীত
সৌদির অনুরোধে হুথিদের ওপর হামলার প্রস্তুতি নিয়েও পিছু হটেছেন ট্রাম্প

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিশেষ অনুরোধে ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে হামলার প্রস্তুতি যখন চূড়ান্ত ধাপে, ঠিক তখনই অপ্রত্যাশিতভাবে অভিযানটি বাতিল করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ঠেকাতে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা চাইছিল রিয়াদ। শুরুতে ট্রাম্প হামলার বিপক্ষে থাকলেও যুবরাজের সঙ্গে ফোনালাপের পর পেন্টাগনকে আঘাত হানার নির্দেশ দেন। পরিস্থিতি এতটাই অগ্রসর হয়েছিল যে লক্ষ্যবস্তু চূড়ান্ত করে যুদ্ধবিমানে বোমা লোড করা সম্পন্ন হলেও রোববার দুপুরে হঠাৎ করেই পুরো প্রক্রিয়া থামিয়ে দেন ট্রাম্প।   বার্তা সংস্থা রয়টার্সও সৌদি আরবের অনুরোধে ওয়াশিংটনের হামলা বিবেচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ও হোয়াইট হাউস। কেবল প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন সবসময় মিত্রদের সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।   প্রশাসনের ঘনিষ্ঠদের বড় অংশই সৌদি-হুথি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার বিপক্ষে ছিলেন। দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের ফলে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মাঝে মার্কিন বাহিনীর ওপর বাড়তি সামরিক চাপ পড়ার আশঙ্কা ছিল তাদের। একই সঙ্গে মে মাসে কৌশলগত কারণে রিয়াদ আকাশসীমা ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপের নজির থাকায়, পুরো আঞ্চলিক ভূরাজনীতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে ওয়াশিংটন।  

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
সৌদির রাজধানী রিয়াদে হুথিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ও লোহিত সাগর উপকূলের বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। রোববার ২০ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য নিশ্চিত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা একটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে এবং এতে নতুন কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।   হামলার জেরে সৌদি রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছের একটি জ্বালানি ট্যাংক থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায় এবং সাময়িকভাবে বিমান চলাচল বিঘ্নিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে হুথিদের আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শনিবার প্রথমবারের মতো রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বাজানো হয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, রিয়াদ ছাড়াও বিশ, তাইফ, ফারাসান ও ইয়ানবু শহরে বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো একাধিক আক্রমণ তারা প্রতিহত করেছে।   হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া আল-সারিয়া দাবি করেন, ইয়ানবুতে আরামকোর তেল স্থাপনাসহ একাধিক স্থানে বিপুল পরিমাণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সাহায্যে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। সানায় সৌদি জোটের আগ্রাসন এবং গত এক সপ্তাহে ইয়েমেনজুড়ে ৩০০টি হামলার জবাবেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সৌদি-সমর্থিত সরকারের সঙ্গে ইরান-ঘনিষ্ঠ হুথিদের এই সংঘাত চলছে।   এদিকে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ফ্লাইট বাতিল কিংবা ভ্রমণ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে অঞ্চলটিতে মার্কিন নাগরিকদের যাতায়াতের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছে ওয়াশিংটন।  

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ 0
সৌদির তেল ক্ষেত্র
সৌদির তেলক্ষেত্রে হামলার হুমকি হুথিদের

ইয়েমেনে চলমান সংঘাতে জড়ালে সৌদি আরবের সব তেলক্ষেত্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। বৃহস্পতিবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির প্রধান আব্দুল মালিক আল-হুথি সরাসরি এ হুঁশিয়ারি দেন। সম্প্রতি ইয়েমেনের একটি বিমানবন্দরে সৌদি আরবের হামলার পর চার বছরের যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ায় নতুন করে এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। হুথি নেতা স্পষ্ট জানান, সানা বিমানবন্দরে হামলার বদলা হিসেবে তারা রিয়াদ বিমানবন্দরেও আঘাত হানবেন। উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৯ ও ২০২২ সালেও সৌদির জ্বালানি অবকাঠামোতে হুথিদের ভয়াবহ হামলায় দেশটির তেল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, ২০১৫ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের ফলে ইয়েমেন বর্তমানে চরম মানবিক সংকটে রয়েছে।

জুলাই ২০, ২০২৬ 0
Popular post
চিঠি

সাদা খামে লিখব চিঠি মায়ের ঠিকানায় মা যে আমার বেঘোর ঘুমে একলা নিরালায়।   গাছের ছায়ায় নিরিবিলি মেলে না চোখ  আর মা মা বলে ডাকি কত আমি যে বারবার।   চিঠি পেলে যদি মায়ের ভাঙে এবার ঘুম ঝাঁপটে ধরে মায়ের পায়ে দেব হাজার চুম।   আঁচল তলে চুপটি করে লুকিয়ে আমার মুখ গন্ধ নেব মায়ের গায়ের লুটব যত সুখ।   লক্ষ্মী পিয়ন কথা রেখো মাকে চিঠি দিয়ো আসা যাওয়ার ভাড়াটুকু আমার থেকে নিয়ো।   বড়ই আশায় আছি আমি পাব মায়ের খোঁজ তথ্য নিতে আসব আমি তোমার বাড়ি রোজ।  

ন-নামা

না জানিয়া না বুঝিয়া না শুনিয়া না মানিয়া নাইতে নামিয়া নদীতে নমিতা নাশিকায় নিশ্বাস নিতে নাপারিয়া নিমেষেই নিজের নাড়ির নিনাদ নিষ্প্রাণ নীরব, নিষ্প্রভ, নীলাভ।   না হেরি নিলয়ে না খেয়ে না নেয়ে নমিতার নৃপতি নব নিশীথে নিবিড় নৈবেদ্যে নমিল নিজেকে নদে   নীলাম্বরের নির্মেঘ নিশি নির্দয় নহরের নির্জনতা নাশি নীপবনে না জানি নিবংশ নমিতা নিরধির নির্ঝর নিধি, নিপাবলির নিরন্তর নৃত্যে নিজেকে নাটকীয় নৈকট্যে নিবেদন।   নেই! নেই! নিয়তির নির্মম নিঘাত নমিতা নিধনে নদ নিত্য নিশাত নীহারিকায় নির্লিপ্ত নিগূঢ় নির্বিকার।   নমিতা নাই-বা নামিবে নরকায় নিষেধ নেই তো নিগ্রহ নাশি নমিতার নিত্য নাদিম নব নিরুদ্দেশী।  

কিশোর গ্যাং এবং আমাদের তরুণ প্রজন্ম

একটি দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো তার তরুণ প্রজন্ম। তারুণ্যের উদ্দীপনা, সৃষ্টিশীলতা এবং অদম্য শক্তিই একটি রাষ্ট্রকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক অন্যতম প্রধান উদ্বেগের নাম ‘কিশোর গ্যাং’। কৈশোরের যে সময়টিতে হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, খেলার বল কিংবা সৃজনশীলতার উপকরণ, সেই বয়সে একশ্রেণির কিশোরের হাতে দেখা যাচ্ছে ধারালো অস্ত্র, মাদক এবং অপরাধের নীল নকশা। আমাদের অমিত সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ যেভাবে এই চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তা কেবল একটি পারিবারিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে।   সাধারণত ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোরদের দলবদ্ধ হয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার সংস্কৃতিকে 'কিশোর গ্যাং' বলা হয়। মনোবিজ্ঞানী ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, কৈশোরে দলবদ্ধ হয়ে থাকার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা থাকে, যা তাদের সামাজিকীকরণে সাহায্য করে। কিন্তু এই দলবদ্ধতা যখন নেতিবাচক রূপ নেয় এবং পাড়া-মহল্লায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা ও খুনোখুনির মতো অপরাধে জড়ায়, তখন তা গ্যাং কালচারে পরিণত হয়। বর্তমান সমাজে এর বিস্তৃতি রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা শহর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন নামে এরা নিজেদের দল পরিচালনা করে এবং নিজেদের শক্তির জানান দিতে প্রায়ই লিপ্ত হয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে।   কোনো কিশোর একদিনেই অপরাধী বা গ্যাংয়ের সদস্য হয়ে ওঠে না, এর পেছনে রয়েছে সামাজিক, পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক নানাবিধ কারণ। বর্তমান যুগের যান্ত্রিক জীবনে পারিবারিক অসচেতনতা ও দূরত্বের অভাব এর অন্যতম প্রধান কারণ। পরিবারের সঠিক তদারকি না থাকা, মা-বাবার মধ্যকার কলহ এবং সন্তানদের সাথে গুণগত সময় না কাটানোর ফলে কিশোররা একাকিত্বে ভোগে এবং এই শূন্যতা পূরণের জন্য বাইরের বন্ধুদের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে শহরাঞ্চলে কিশোরদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ কিংবা বিনোদনের চরম সংকট রয়েছে। ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি প্রকাশের কোনো সুস্থ মাধ্যম তারা পাচ্ছে না।   এই গ্যাং কালচার গড়ে ওঠার পেছনে আরেকটি বড় জ্বালানি হিসেবে কাজ করে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু ‘বড় ভাই’। এই স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বা মিছিল-মিটিংয়ে লোক বাড়াতে কিশোরদের ব্যবহার করে এবং তাদের আইনি সুরক্ষা দেয়ার লোভ দেখিয়ে অপরাধের পথে ঠেলে দেয়। একই সাথে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তির অপব্যবহার ও সোশ্যাল মিডিয়া। টিকটক, লাইকি বা বিভিন্ন অনলাইন গেমসের মাধ্যমে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভ এবং ইন্টারনেটে সহিংসতা দেখে তারা বাস্তবেও তার অনুকরণ করার চেষ্টা করে। এর ওপর মাদকের সহজলভ্যতা কিশোরদের আরও বেশি বেপরোয়া করে তুলছে, কারণ নেশার টাকা জোগাড় করতেই তারা প্রথম দিকে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে নামছে। কিশোর গ্যাং কালচার আমাদের সামগ্রিক তরুণ প্রজন্মের মনস্তত্ত্বে এক গভীর ক্ষত তৈরি করছে এবং দেশের মেধার অপচয় ঘটাচ্ছে।   দেশের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি এই তরুণরা যখন পড়ালেখা ছেড়ে অপরাধের খাতায় নাম লেখায়, তখন দেশ এক বিশাল দক্ষ জনশক্তি হারায়। এর ফলে সমাজে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়, যার কারণে সাধারণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীরাও স্কুল-কলেজে যেতে ভয় পায়। পাড়া-মহল্লায় এই ভয়ের সংস্কৃতি সুস্থ তরুণদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। তা ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার দেখে অন্য সাধারণ কিশোরদের মধ্যেও আইন অমান্য করা, বড়দের অসম্মান করা এবং দ্রুত ও অনৈতিক উপায়ে টাকা আয়ের ভুল মানসিকতা বা নৈতিক অবক্ষয় তৈরি হচ্ছে। এই কিশোর অপরাধ কেবল তরুণদেরই ধ্বংস করছে না, বরং সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তাকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে। চুরি, ছিনতাই এবং তুচ্ছ কারণে খুনের ঘটনা প্রতিনিয়ত খবরের কাগজের শিরোনাম হচ্ছে।   আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত এদের গ্রেপ্তার করলেও মূল শেকড় উপড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, কারণ এদের পেছনে থাকা গডফাদাররা অধরাই থেকে যায়। একটি দেশের তরুণ সমাজ যদি এভাবে অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে সেই রাষ্ট্রের টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এ-জাতীয় ব্যাধি থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে সমন্বিত ও বহুমুখী উদ্যোগ প্রয়োজন, যার সূচনা হতে হবে পরিবার থেকে। মা-বাবাকে সন্তানের প্রতি আরও বন্ধুসুলভ হতে হবে এবং সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে বা ইন্টারনেটে কী দেখছে—সে বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ রাখতে হবে। এর পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাঠাগার গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায়।   প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানকে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়া অত্যন্ত জরুরি, যা তাদের ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে শেখাবে। একই সাথে কিশোরদের যারা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, সেই সব তথাকথিত রাজনৈতিক বড় ভাইদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোরও উচিত কিশোরদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বন্ধ করা। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি কিশোর অপরাধীদের সাধারণ জেলে না রেখে কিশোর উন্নয়ন বা সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো উচিত। সেখানে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে তাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।   তরুণ প্রজন্ম একটি দেশের স্বপ্ন, প্রেরণা ও সম্ভাবনার প্রতীক। কিশোর গ্যাংয়ের মতো একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি এই বিপুল সম্ভাবনাকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে না। এটি কেবল আইন প্রয়োগ করে বা জোরপূর্বক দমন করা সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক আন্দোলন। সরকার, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজ যদি একযোগে কাজ করে কিশোরদের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, তবেই আমাদের তরুণ প্রজন্ম এই অন্ধকার পথ থেকে ফিরে আসবে এবং একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারবে।  

সেই নীড়

যাচ্ছি  আমি নীড় ছেড়ে ইট পাথরের নগরে। দুঃখ আমার চিরসাথী বিষাদময় এ জীবনের। বাস্তবতার দাবদাহে পুড়ছি আমি অবিরাম। দেখছি কত বহুরূপী আঁধার এ পৃথিবীতে। সইছি কত বিষ-বাণী  কাছের প্রিয় মানুষ হতে শত বাধার ভিড়ে আমি জয়ী হয়ে ফিরব নীড়ে ফিরব আমি বীরের বেশে চিরচেনা সেই নীড়ে।  

শরৎ

শরতের আকাশ যেন সাদা মেঘের ভেলা শরতে স্বচ্ছ সরোবরে দলবেঁধে মেটে রাজহাঁস খেলে ডুব-সাঁতারের খেলা।   শরতের মাঠে মাঠে মাথা নেড়ে দোলে শুভ্র রঙের কাশ শরতের নীল আকাশে উড়ে বেড়ায় লাল ঝুঁটি ভূঁতিহাস।   শরতে পথে পথে ফোটে শিউলি, শেফালি ও টগর শরতে তালের পিঠা উৎসবে মাতে পল্লি থেকে নগর। শরতে হাওর বিলে পদ্ম শাপলা মুখ বের করে হাসে। শরতে ভোরের শিশির মিশে থাকে সবুজ দূর্বাঘাসে।  

Top week

সাহিত্য

নগরীর দেবী

অক্টোবর ১৬, ২০২৬ 0