Breaking news

যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : বিবিসির সৌজন্যে
ইরানে ‘জিবিইউ-৪৩/বি’ বোমা ছুড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ওয়াশিংটন ইরানের ওপর সবচেয়ে বড় অপারমাণবিক বোমা ‘জিবিইউ-৪৩/বি’ বা ‘মাদার অব অল বোম্বস’ (এমওএবি) নিক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছে। মূলত ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংসের লক্ষ্যেই এই বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্ররা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি অভিযানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন, তবে যেকোনো সময় এই হামলা হতে পারে।   তবে বিশাল বিধ্বংসী ক্ষমতাসম্পন্ন এই বোমার কার্যকারিতা নিয়ে খোদ মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যেই সন্দেহ রয়েছে। বিশেষ করে, ইরানের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস করার ক্ষেত্রে এটি কতটুকু সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তা ছাড়া বৃহৎ পরিসরে এই বোমার ব্যবহার হলে ব্যাপক বেসামরিক প্রাণহানির আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।   এর আগে ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে আইএস-এর আস্তানা লক্ষ্য করে এই এমওএবি বোমা নিক্ষেপ করেছিল মার্কিন বাহিনী, যাতে ৯০ জনের বেশি জঙ্গি নিহত হয়েছিল। তবে সম্ভাব্য এই সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে ট্রাম্প এখন আপাতত আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ওপরই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। কেননা ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জনপ্রিয়তা বেশ হ্রাস পেয়েছে।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করছে যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি রুখতেই এই যুদ্ধের প্রয়োজন ছিল, যদিও তেহরান শুরু থেকেই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের লক্ষ্য থাকার কথা অস্বীকার করে আসছে। যুদ্ধ অবসানের কূটনৈতিক তৎপরতা স্থবির হয়ে পড়ায় বর্তমানে সামরিক অভিযান কমিয়ে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশলেই এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।  

অক্টোবর ১৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে তৃতীয় স্থানে নামল বাংলাদেশ

বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। এর ফলে দেশটিতে পোশাক রপ্তানিকারক হিসেবে বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান হারিয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভিয়েতনাম যথারীতি শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও বাংলাদেশকে টপকে দ্বিতীয় স্থানটি নিজেদের দখলে নিয়েছে চীন।   যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল’ (অটেক্সা)-এর প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে ৫৩৯ কোটি ৩৪ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম। একই সময়ে চীন যুক্তরাষ্ট্রে ৫৬৩ কোটি ৭ লাখ ডলারের পোশাক পাঠিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে।   একক বাজার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা সামগ্রিকভাবেই পোশাকের আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশটি মোট ৪ হাজার ৯০৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের পোশাক আমদানি করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ কম। বাজারটিতে শীর্ষ সরবরাহকারী ভিয়েতনামের রপ্তানিও শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৭ কোটি ৫৬ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে।   বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানি আয়ের প্রায় ২০ শতাংশই আসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে। ২০২২ সালে যেখানে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি ৯৭৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল, ২০২৩ সালে তা বড় ধাক্কা খেয়ে ৭২৯ কোটি ডলারে নেমে আসে। পরবর্তী দুই বছর ধীরে ধীরে প্রবৃদ্ধি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করলেও চলতি বছরের পতন আবারও দেশের পোশাক খাতকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ থেকে ৫০০ কিমি দূরে সরে গেছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ : ইরান

হরমুজ প্রণালির কৌশলগত জলপথ থেকে পিছু হটেছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বহর। প্রণালির মুখ থেকে এসব যুদ্ধজাহাজ ইতোমধ্যে কমপক্ষে ৫০০ কিলোমিটার দূরে সরে গেছে। বুধবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, সংঘাত শুরুর পর হরমুজ ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত ৩০ থেকে ৪০টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ টহল দিত। বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথ কিংবা বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিতে তাদের কোনো যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি নেই। আইআরজিসির মুখপাত্রের মতে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের নেই এবং তাদের বর্তমান হুমকিগুলো পরাজয় ঢাকার অপচেষ্টা মাত্র।   বিশ্বের মোট জ্বালানি পণ্যের এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়া ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রণালি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছে। এর আগে গত জুনে সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে সাময়িক উত্তেজনা কমলেও জুলাইয়ে চুক্তি থেকে ইরানের সরে আসার পর হরমুজে ফের অবরোধ জারি করা হয়। ওয়াশিংটন প্রণালিতে পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করলেও তেহরান তা নাকচ করে মার্কিন বহর পিছু হটার খবর জানাল।  

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ 0
ইরানের প্রতি ট্রাম্পের হুমকি
নাগরিকদের দ্রুততম সময়ে ইরান ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা নতুন করে তীব্র রূপ নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজ দেশের নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে সব ধরনের ইরান ভ্রমণ পুরোপুরি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে এক নিরাপত্তা বার্তায় জরুরি সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা ও সাম্প্রতিক হামলার জেরে চলমান সংঘাত যেকোনো সময় বড় আকার ধারণ করতে পারে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ধ্বংসের হুমকি দিয়ে সামনে ‘খুব বড় কিছু’ ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেন।   এদিকে সম্ভাব্য মার্কিন বিমান হামলার মুখে তেহরানও পাল্টা সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। কোনো ধরণের আঘাত এলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থ, সামরিক ঘাঁটি ও মিত্রদের নিশানা করে কঠোর জবাব দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সামরিক কমান্ড।   উত্তেজনার জেরে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ওয়াশিংটন নৌ অবরোধ জোরদার করলেও কৌশলগত এই জলসীমার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে ইরান। সার্বিক পরিস্থিতিতে অঞ্চলটিতে যেকোনো মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার গভীর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।  

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ শর্ত দিল ইরান, না মানলে চূড়ান্ত যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

চলমান সামরিক সংঘাতের অবসান ঘটাতে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাতটি শর্ত পাঠিয়েছে ইরান। তবে ওয়াশিংটন এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করলে ‘চূড়ান্ত যুদ্ধ’ শুরু করারও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, কাতারি প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পাঠানো এসব শর্তের বিষয়ে এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে তেহরান।   সামাজিক মাধ্যম ও সাক্ষাৎকারে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাই জানান, আলোচনার পথ উন্মুক্ত করতে ওয়াশিংটনের সামনে তাঁদের বার্তা অত্যন্ত স্পষ্ট। তিনি উল্লেখ করেন, অবিলম্বে সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, অবরুদ্ধ ইরানি অর্থ ছাড় দেয়া এবং নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করা তেহরানের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে।   রেজাই সতর্ক করে বলেন, ট্রাম্পের হুমকিতে কোনো ফল আসবে না এবং নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য ইরান শতভাগ প্রস্তুত। ওয়াশিংটন যদি নিজেদের তৈরি সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে চায়, তবে ইরানের ন্যায্য শর্তগুলো মেনে নেয়া ছাড়া তাদের সামনে কোনো বিকল্প নেই। বর্তমানে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সমঝোতা ফিরিয়ে আনতে কাতার ও পাকিস্তান জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।   সামরিক প্রস্তুতি তুলে ধরে ইরানি নিরাপত্তাপ্রধান জানান, পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর ও আরব সাগরে থাকা মার্কিন ঘাঁটি এবং রণতরীগুলোকে কেন্দ্র করে তাঁদের নতুন কৌশল সাজানো হয়েছে। পুনরায় মার্কিন আগ্রাসন চালানো হলে শুধু সামরিক ঘাঁটিতেই নয়, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ওয়াশিংটনের বাণিজ্যিক স্বার্থ ও মার্কিন কোম্পানিগুলোতেও সরাসরি বিধ্বংসী আঘাত হানা হবে।   পারমাণবিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, ইরান এখনো পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে আসেনি। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার ফতোয়া বা নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী পদক্ষেপ তেহরানকে নীতি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করতে পারে।  

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
সৌদি আরবের কাছে এফ-৩৫ বিক্রির মার্কিন সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক ও উদ্বেগ

সৌদি আরবের কাছে প্রায় ৫০টি অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বের শীর্ষ স্টেলথ প্রযুক্তিসম্পন্ন এই বিমান পেতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালালেও ইসরায়েলের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব রক্ষায় এতদিন এতে বাধা ছিল। তবে ২৪ বিলিয়ন ডলারের এই অস্ত্র চুক্তি কার্যকর ঠেকাতে বা যাচাই-বাছাই করতে মার্কিন কংগ্রেসের হাতে এখন ৩০ দিন সময় রয়েছে।   প্রস্তাবিত এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা। ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি রাজা কৃষ্ণমূর্তিসহ একাধিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সৌদি-চীন ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এ প্রযুক্তির গোপন তথ্য বেইজিংয়ের হাতে পৌঁছানোর ঝুঁকি রয়েছে। ২০১৮ সালে জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পর সৌদি আরবের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও মার্কিন কংগ্রেসে এমন অস্ত্র চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।   বিরোধিতা সত্ত্বেও মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট দাবি করেছে, এই চুক্তি উপসাগরীয় অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ওয়াশিংটনের জাতীয় নিরাপত্তাকে সুদৃঢ় করবে। তাদের মতে, মিত্র সৌদি আরবকে এই সহায়তা দেয়া হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক সামরিক ভারসাম্য অক্ষুণ্ণ থাকবে। বর্তমানে ইসরায়েলের হাতে ৫০টি এফ-৩৫ বিমান রয়েছে, যা তারা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করছে; ফলে সৌদি আরবের ৪৮টি বিমান পাওয়ার চুক্তি ইসরায়েলের সাথে তাদের সক্ষমতার ব্যবধান অনেকটা কমিয়ে আনবে।   ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সাথে সৌদি আরবের সংঘাত চলাকালেই এই যুদ্ধবিমান বিক্রির উদ্যোগ চূড়ান্ত রূপ পেল। সম্প্রতি হুথিরা লোহিত সাগর উপকূলের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখলে নেয়ায় রিয়াদের নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এ বিষয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি পদক্ষেপ নিতে ট্রাম্পকে চাপ দিলেও, ওয়াশিংটন সরাসরি মার্কিন বাহিনীকে এতে জড়ানো থেকে বিরত রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্য ত্যাগ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ। মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর এক ভার্চুয়াল অধিবেশনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে আঘাত হানা ঘটনাটি মার্কিন সামরিক সক্ষমতার চরম ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেন তিনি।   নিকজাদের দাবি, অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ৩০০ মিটার পথ বিচ্যুত হয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে আঘাত করা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের উচিত আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের চেষ্টা বাদ দিয়ে নিজেদের এই লজ্জাজনক পরাজয় কীভাবে সামাল দেয়া যায়, সেদিকে নজর দেয়া।   ইরান সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে যুদ্ধ পরিচালনা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, তেহরান এখনো তার পূর্ণ সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করেনি। অঞ্চলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও কমান্ড পোস্টে হামলার ঘটনা ইরানের নিয়মিত হালনাগাদ করা সামরিক শক্তির একটি ছোট্ট ঝলক মাত্র।   বাকি সম্মানটুকু হারানোর আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে এই অঞ্চল ছাড়ার পরামর্শ দেন নিকজাদ। মেহের নিউজের বরাত দিয়ে তিনি আরও দাবি করেন, কমান্ড সেন্টারে হামলার পর মার্কিন কমান্ডাররা হোটেলে পালাতে বাধ্য হয়েছেন এবং হতাশ মার্কিন সেনারা থাইল্যান্ডের উপকূলে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।  

সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ভল্ট থেকে ধীরে ধীরে সোনা সরিয়ে নিচ্ছে ইউরোপীয় দেশ

ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ও কানাডা থেকে ৮৬ টন সোনা লন্ডনে সরিয়ে নিচ্ছে নেদারল্যান্ডস। এর মধ্য দিয়ে দেশটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সোনা সরিয়ে নেয়া ইউরোপীয় দেশগুলোর দীর্ঘ তালিকায় সবশেষ সংযোজন হিসেবে যুক্ত হলো।   নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ডিএনবি) জানিয়েছে, মজুত ভাগ করে রাখলে ঝুঁকি কমে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করায় লন্ডনের সোনা যেকোনো সংকটে দ্রুত ব্যবহার করা যায়। এই স্থানান্তরের ফলে নিউইয়র্ক ও অটোয়ায় তাদের সোনার পরিমাণ কমে ১৮.৫ শতাংশ হবে এবং লন্ডনে তা বেড়ে ৩২.১ শতাংশে দাঁড়াবে।   এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ফ্রান্স তাদের মোট মজুতের প্রায় ৫ শতাংশ বা ১২৯ টন সোনা নিউইয়র্ক থেকে বিক্রি করে সমপরিমাণ সোনা ইউরোপ থেকে কিনে প্যারিসে রেখেছে। অন্যদিকে ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে জার্মানিও নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ থেকে ৩০০ টন এবং প্যারিস থেকে ৩৭৪ টন সোনা নিজেদের ভল্টে ফিরিয়ে নেয়।   নিজ নিজ দেশে চাপ থাকা সত্ত্বেও বিশ্বের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম মজুতধারী জার্মানি ও ইতালি যুক্তরাষ্ট্রে রাখা তাদের সব সোনা ফেরত নেয়নি। বর্তমানে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভে এ দুই দেশের প্রায় ২৪৫ বিলিয়ন ডলারের সোনা রয়েছে এবং লেবানন ও ভারতের মতো দেশগুলোর সোনার উল্লেখযোগ্য অংশও যুক্তরাষ্ট্রের ভল্টে রক্ষিত আছে।   উল্লেখ্য, বিশ্বের বহু দেশের সোনা যুক্তরাষ্ট্রের ভল্টে মজুত আছে।        

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন ও ইসরায়েলি ২০০ বিমান ধ্বংসের দাবি : ২০ প্রজন্ম লড়তে প্রস্তুত ইরান

সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার জবাবে নিজেদের তৈরি আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে শত্রুদেশের ২০০টিরও বেশি বিমান ধ্বংস করেছে ইরান। মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর দেশটির ‘বিমান প্রতিরক্ষা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শীর্ষ সেনা কমান্ডাররা এই দাবি করেছেন।   প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা এলহামি বলেছেন, সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তির এই অস্ত্রগুলো এতটাই অত্যাধুনিক ও গোপনীয় ছিল যে, হামলাকারীরা টেরই পায়নি কোথা থেকে তাদের বিমানে আঘাত হানা হচ্ছে। দেশের আকাশসীমা নিশ্ছিদ্র রাখতে বর্তমানে মরুভূমি, উপকূল ও পাহাড়সহ প্রায় ৩,৮০০টির বেশি দুর্গম স্থানে এসব শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সতর্ক অবস্থায় মোতায়েন রাখা হয়েছে।   আকাশপথে যেকোনো শত্রুবিমান বা ড্রোন শনাক্ত হওয়ামাত্রই তা নিমেষে ধ্বংস করতে সক্ষম ইরানের এই ইউনিটগুলো। মাতৃভূমি রক্ষায় নিজেদের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, প্রয়োজনে আগামী ২০ প্রজন্ম ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যেতেও প্রস্তুত রয়েছে আপামর ইরানি জনগণ।   চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন। ওই ঘটনার পরপরই প্রতিশোধ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের ওপর পাল্টা ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছিল তেহরান।  

সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ 0
ছবি : ইরনা
মার্কিন নতুন নিষেধাজ্ঞাকে ‘রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বললেন আব্বাস আরাগচি

জিও নিউজের খবর অনুযায়ী, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞাকে ‘রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। জাতিসংঘ মহাসচিব, নিরাপত্তা পরিষদ ও সদস্য দেশগুলোকে দেয়া এক চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের সঙ্গে অন্যান্য দেশের বৈধ বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করতে চাপ প্রয়োগ করছে।   আরাগচি অভিযোগ করেন, এসব নিষেধাজ্ঞার ফলে খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও মৌলিক অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।   তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও সদস্য দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘একতরফা চাপমূলক ব্যবস্থা’ ও নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি তা কার্যকর বা স্বীকৃতি না দেয়ার আহ্বান জানান। আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, অন্যান্য দেশের সঙ্গে ইরানের বৈধ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাধাগ্রস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের এই অন্যায় চাপ অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।  

আগস্ট ২৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালালে ইরানও সমান শক্তিতে হামলা চালাতে প্রস্তুত

  যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর পারমাণবিক হামলা চালালে তেহরানও সমান শক্তিতে পাল্টা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির সদস্য ফাদা হোসেন মালেকি। ১৯ আগস্ট এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভুল পদক্ষেপের আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া না গেলেও বিশ্বযুদ্ধের ভয়ে তিনি এমন সাহস দেখাবেন না। সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি   মালেকি জানান, যে ধরনের অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হবে, তেহরান ঠিক একই মাত্রায় জবাব দেবে। নিজেদের পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও তিনি উল্লেখ করেন, ইরান এখন আত্মরক্ষামূলক অবস্থান থেকে সরে ‘আক্রমণাত্মক প্রতিরোধের’ নীতি গ্রহণ করেছে। তাদের হাতে গোপন সামরিক বিকল্পও রয়েছে।   চলমান আলোচনা স্থগিত প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটন আগের প্রতিশ্রুতি ও সমঝোতা না মানায় ইরান আর কোনো আলোচনায় বসবে না। এতে হরমুজ প্রণালিসহ আঞ্চলিক সংকটগুলো অমীমাংসিতই থেকে যাবে। এ ছাড়া ওমানের মধ্যস্থতায় চলা আলোচনাতেও যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ নাকচ করেছে ইরান। গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই মূলত দুই পক্ষের মধ্যে এই চরম উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬ 0
বাংলাদেশসহ ৬০ দেশে নতুন শুল্ক
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের মুখে বাংলাদেশসহ ৬০ দেশ

জোরপূর্বক শ্রমবিরোধী পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক বসিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। গত ২৩ জুলাই  যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়। তথ্যসূত্র : রয়টার্স নতুন নির্ধারিত এই শুল্কের হার ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ। এর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো ও কানাডাসহ কয়েকটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসেছে। অন্যদিকে চীন, ভিয়েতনাম ও মিত্রদেশ ইসরায়েলসহ ৩৮টি দেশের জন্য শুল্কের হার ১২.৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান শুল্ক সমন্বয় করে নতুন এই হার কার্যকর হবে। শুক্রবার দিবাগত রাতে পূর্ববর্তী ১৫০ দিনের সাময়িক শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই নতুন এই শুল্ক কার্যকর হবে। তবে যেসব পণ্য এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পথে রয়েছে, সেগুলো আগামী ২৮ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত এই শুল্কের আওতামুক্ত থাকবে।  

জুলাই ২৪, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ সীমিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও বিদেশি সাংবাদিকদের ভিসার মেয়াদ সীমিত করার নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ চার বছর এবং বিদেশি সাংবাদিকরা সর্বোচ্চ ২৪০ দিন দেশটিতে বৈধভাবে অবস্থান করতে পারবেন। রেকর্ড সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থীর আগমন ও দীর্ঘমেয়াদী অবস্থানের ওপর নজরদারি বাড়াতে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। এই সিদ্ধান্তের আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের 'এফ' ভিসা, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির 'জে' ভিসা এবং বিদেশি সাংবাদিকদের 'আই' ভিসার ওপর নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৪০ দিন এবং চীনের নাগরিকদের ক্ষেত্রে মাত্র ৯০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তথ্যমতে, বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকের ওপর নজরদারি করা কঠিন হয়ে পড়ায় এবং মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় ধরে অবস্থান ঠেকানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত মেয়াদের পর অবস্থান করতে চাইলে এখন থেকে ট্রাভেল পারমিট নিয়ে নিজ দেশে ফিরে পুনরায় ভিসার আবেদন করতে হবে, যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

জুলাই ২০, ২০২৬ 0
মার্কিন সেনাদের টেস্টোস্টেরন টেস্ট
মার্কিন সেনাদের যুদ্ধ সক্ষমতা যাচাইয়ে ‘টেস্টোস্টেরন’ পরীক্ষার নির্দেশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের যুদ্ধ সক্ষমতা যাচাই করতে টেস্টোস্টেরন পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। গত বুধবার ঘোষিত এই নতুন নীতি অনুযায়ী, ত্রিশোর্ধ্ব সেনাসদস্যদের জন্য পরীক্ষাটি বাধ্যতামূলক এবং কম বয়সীদের জন্য ঐচ্ছিক করা হয়েছে। এটি নিয়মিত বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হবে এবং কারও টেস্টোস্টেরন ঘাটতি থাকলে থেরাপি নেওয়ার সুযোগ থাকবে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক বার্তায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, সামরিক সদস্যদের সর্বোচ্চ শারীরিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই এই নির্দেশ এলো। তবে নারী সেনাদের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষার নিয়ম কী হবে, তা এখনো অস্পষ্ট। প্রাকৃতিকভাবে নারীদের শরীরে টেস্টোস্টেরন প্রায় ৯০ শতাংশ কম থাকায় এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জুলাই ২০, ২০২৬ 0
জে ডি ভ্যান্স
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা নস্যাৎ করতে ইসরায়েলের গোপন অর্থায়ন, অভিযোগ ভ্যান্সের

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের চলমান শান্তি আলোচনা নস্যাৎ করতে ইসরায়েল গোপনে একটি প্রচারণায় অর্থায়ন করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। গত বুধবার জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘দ্য জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিস্ফোরক দাবি করেন। ট্রাম্পের সাবেক প্রচার ব্যবস্থাপক ব্র্যাড পারস্কেলের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান এই প্রচারণার মাধ্যমে মার্কিন প্রশাসনের কূটনৈতিক উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি। ভ্যান্সের দাবি, ট্রাম্পের ইরাননীতির পক্ষে কাজ করায় এই প্রচারণার সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করছে। টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, 'ক্লক টাওয়ার এক্স' নামের ওই প্রতিষ্ঠানটি মূলত তরুণ রক্ষণশীলদের মধ্যে ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব ঠেকাতে কাজ শুরু করেছিল। তবে সম্প্রতি ইরান চুক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সমন্বিত অপপ্রচার নজরে আসে। যদিও পারস্কেল দাবি করেছেন, মার্কিন কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা তাদের লক্ষ্য নয়। এ বিষয়ে ইসরায়েলের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬ 0
কানাডায় দাবানল
কানাডায় ৮৫৭ দাবানল, ধোঁয়ায় বিপজ্জনক যুক্তরাষ্ট্রের বায়ুর মান

কানাডায় ছড়িয়ে পড়া আট শতাধিক দাবানলের ধোঁয়ায় প্রতিবেশী যুক্তরাষ্ট্রের বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় আপার মিডওয়েস্টসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন আবহাওয়া সংস্থা। অধিকাংশ আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকায় টরন্টো থেকে শুরু করে নিউইয়র্ক পর্যন্ত আকাশ ধোঁয়াটে হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, কানাডায় বর্তমানে ৮৫৭টি দাবানল সক্রিয়, যার ২৩টির সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিবার। অন্টারিওর ভয়াবহ আগুনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান ও মিনেসোটার বাতাস মারাত্মক দূষিত। এই ধোঁয়া নিউইয়র্ক পর্যন্ত পৌঁছানোয় সেখানকার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি লালচে দেখাচ্ছে।

জুলাই ২০, ২০২৬ 0
Popular post
চিঠি

সাদা খামে লিখব চিঠি মায়ের ঠিকানায় মা যে আমার বেঘোর ঘুমে একলা নিরালায়।   গাছের ছায়ায় নিরিবিলি মেলে না চোখ  আর মা মা বলে ডাকি কত আমি যে বারবার।   চিঠি পেলে যদি মায়ের ভাঙে এবার ঘুম ঝাঁপটে ধরে মায়ের পায়ে দেব হাজার চুম।   আঁচল তলে চুপটি করে লুকিয়ে আমার মুখ গন্ধ নেব মায়ের গায়ের লুটব যত সুখ।   লক্ষ্মী পিয়ন কথা রেখো মাকে চিঠি দিয়ো আসা যাওয়ার ভাড়াটুকু আমার থেকে নিয়ো।   বড়ই আশায় আছি আমি পাব মায়ের খোঁজ তথ্য নিতে আসব আমি তোমার বাড়ি রোজ।  

ন-নামা

না জানিয়া না বুঝিয়া না শুনিয়া না মানিয়া নাইতে নামিয়া নদীতে নমিতা নাশিকায় নিশ্বাস নিতে নাপারিয়া নিমেষেই নিজের নাড়ির নিনাদ নিষ্প্রাণ নীরব, নিষ্প্রভ, নীলাভ।   না হেরি নিলয়ে না খেয়ে না নেয়ে নমিতার নৃপতি নব নিশীথে নিবিড় নৈবেদ্যে নমিল নিজেকে নদে   নীলাম্বরের নির্মেঘ নিশি নির্দয় নহরের নির্জনতা নাশি নীপবনে না জানি নিবংশ নমিতা নিরধির নির্ঝর নিধি, নিপাবলির নিরন্তর নৃত্যে নিজেকে নাটকীয় নৈকট্যে নিবেদন।   নেই! নেই! নিয়তির নির্মম নিঘাত নমিতা নিধনে নদ নিত্য নিশাত নীহারিকায় নির্লিপ্ত নিগূঢ় নির্বিকার।   নমিতা নাই-বা নামিবে নরকায় নিষেধ নেই তো নিগ্রহ নাশি নমিতার নিত্য নাদিম নব নিরুদ্দেশী।  

কিশোর গ্যাং এবং আমাদের তরুণ প্রজন্ম

একটি দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো তার তরুণ প্রজন্ম। তারুণ্যের উদ্দীপনা, সৃষ্টিশীলতা এবং অদম্য শক্তিই একটি রাষ্ট্রকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক অন্যতম প্রধান উদ্বেগের নাম ‘কিশোর গ্যাং’। কৈশোরের যে সময়টিতে হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, খেলার বল কিংবা সৃজনশীলতার উপকরণ, সেই বয়সে একশ্রেণির কিশোরের হাতে দেখা যাচ্ছে ধারালো অস্ত্র, মাদক এবং অপরাধের নীল নকশা। আমাদের অমিত সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ যেভাবে এই চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তা কেবল একটি পারিবারিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে।   সাধারণত ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোরদের দলবদ্ধ হয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার সংস্কৃতিকে 'কিশোর গ্যাং' বলা হয়। মনোবিজ্ঞানী ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, কৈশোরে দলবদ্ধ হয়ে থাকার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা থাকে, যা তাদের সামাজিকীকরণে সাহায্য করে। কিন্তু এই দলবদ্ধতা যখন নেতিবাচক রূপ নেয় এবং পাড়া-মহল্লায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা ও খুনোখুনির মতো অপরাধে জড়ায়, তখন তা গ্যাং কালচারে পরিণত হয়। বর্তমান সমাজে এর বিস্তৃতি রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা শহর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন নামে এরা নিজেদের দল পরিচালনা করে এবং নিজেদের শক্তির জানান দিতে প্রায়ই লিপ্ত হয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে।   কোনো কিশোর একদিনেই অপরাধী বা গ্যাংয়ের সদস্য হয়ে ওঠে না, এর পেছনে রয়েছে সামাজিক, পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক নানাবিধ কারণ। বর্তমান যুগের যান্ত্রিক জীবনে পারিবারিক অসচেতনতা ও দূরত্বের অভাব এর অন্যতম প্রধান কারণ। পরিবারের সঠিক তদারকি না থাকা, মা-বাবার মধ্যকার কলহ এবং সন্তানদের সাথে গুণগত সময় না কাটানোর ফলে কিশোররা একাকিত্বে ভোগে এবং এই শূন্যতা পূরণের জন্য বাইরের বন্ধুদের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে শহরাঞ্চলে কিশোরদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ কিংবা বিনোদনের চরম সংকট রয়েছে। ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি প্রকাশের কোনো সুস্থ মাধ্যম তারা পাচ্ছে না।   এই গ্যাং কালচার গড়ে ওঠার পেছনে আরেকটি বড় জ্বালানি হিসেবে কাজ করে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু ‘বড় ভাই’। এই স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বা মিছিল-মিটিংয়ে লোক বাড়াতে কিশোরদের ব্যবহার করে এবং তাদের আইনি সুরক্ষা দেয়ার লোভ দেখিয়ে অপরাধের পথে ঠেলে দেয়। একই সাথে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তির অপব্যবহার ও সোশ্যাল মিডিয়া। টিকটক, লাইকি বা বিভিন্ন অনলাইন গেমসের মাধ্যমে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভ এবং ইন্টারনেটে সহিংসতা দেখে তারা বাস্তবেও তার অনুকরণ করার চেষ্টা করে। এর ওপর মাদকের সহজলভ্যতা কিশোরদের আরও বেশি বেপরোয়া করে তুলছে, কারণ নেশার টাকা জোগাড় করতেই তারা প্রথম দিকে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে নামছে। কিশোর গ্যাং কালচার আমাদের সামগ্রিক তরুণ প্রজন্মের মনস্তত্ত্বে এক গভীর ক্ষত তৈরি করছে এবং দেশের মেধার অপচয় ঘটাচ্ছে।   দেশের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি এই তরুণরা যখন পড়ালেখা ছেড়ে অপরাধের খাতায় নাম লেখায়, তখন দেশ এক বিশাল দক্ষ জনশক্তি হারায়। এর ফলে সমাজে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়, যার কারণে সাধারণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীরাও স্কুল-কলেজে যেতে ভয় পায়। পাড়া-মহল্লায় এই ভয়ের সংস্কৃতি সুস্থ তরুণদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। তা ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার দেখে অন্য সাধারণ কিশোরদের মধ্যেও আইন অমান্য করা, বড়দের অসম্মান করা এবং দ্রুত ও অনৈতিক উপায়ে টাকা আয়ের ভুল মানসিকতা বা নৈতিক অবক্ষয় তৈরি হচ্ছে। এই কিশোর অপরাধ কেবল তরুণদেরই ধ্বংস করছে না, বরং সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তাকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে। চুরি, ছিনতাই এবং তুচ্ছ কারণে খুনের ঘটনা প্রতিনিয়ত খবরের কাগজের শিরোনাম হচ্ছে।   আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত এদের গ্রেপ্তার করলেও মূল শেকড় উপড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, কারণ এদের পেছনে থাকা গডফাদাররা অধরাই থেকে যায়। একটি দেশের তরুণ সমাজ যদি এভাবে অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে সেই রাষ্ট্রের টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এ-জাতীয় ব্যাধি থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে সমন্বিত ও বহুমুখী উদ্যোগ প্রয়োজন, যার সূচনা হতে হবে পরিবার থেকে। মা-বাবাকে সন্তানের প্রতি আরও বন্ধুসুলভ হতে হবে এবং সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে বা ইন্টারনেটে কী দেখছে—সে বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ রাখতে হবে। এর পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাঠাগার গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায়।   প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানকে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়া অত্যন্ত জরুরি, যা তাদের ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে শেখাবে। একই সাথে কিশোরদের যারা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, সেই সব তথাকথিত রাজনৈতিক বড় ভাইদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোরও উচিত কিশোরদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বন্ধ করা। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি কিশোর অপরাধীদের সাধারণ জেলে না রেখে কিশোর উন্নয়ন বা সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো উচিত। সেখানে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে তাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।   তরুণ প্রজন্ম একটি দেশের স্বপ্ন, প্রেরণা ও সম্ভাবনার প্রতীক। কিশোর গ্যাংয়ের মতো একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি এই বিপুল সম্ভাবনাকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে না। এটি কেবল আইন প্রয়োগ করে বা জোরপূর্বক দমন করা সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক আন্দোলন। সরকার, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজ যদি একযোগে কাজ করে কিশোরদের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, তবেই আমাদের তরুণ প্রজন্ম এই অন্ধকার পথ থেকে ফিরে আসবে এবং একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারবে।  

সেই নীড়

যাচ্ছি  আমি নীড় ছেড়ে ইট পাথরের নগরে। দুঃখ আমার চিরসাথী বিষাদময় এ জীবনের। বাস্তবতার দাবদাহে পুড়ছি আমি অবিরাম। দেখছি কত বহুরূপী আঁধার এ পৃথিবীতে। সইছি কত বিষ-বাণী  কাছের প্রিয় মানুষ হতে শত বাধার ভিড়ে আমি জয়ী হয়ে ফিরব নীড়ে ফিরব আমি বীরের বেশে চিরচেনা সেই নীড়ে।  

শরৎ

শরতের আকাশ যেন সাদা মেঘের ভেলা শরতে স্বচ্ছ সরোবরে দলবেঁধে মেটে রাজহাঁস খেলে ডুব-সাঁতারের খেলা।   শরতের মাঠে মাঠে মাথা নেড়ে দোলে শুভ্র রঙের কাশ শরতের নীল আকাশে উড়ে বেড়ায় লাল ঝুঁটি ভূঁতিহাস।   শরতে পথে পথে ফোটে শিউলি, শেফালি ও টগর শরতে তালের পিঠা উৎসবে মাতে পল্লি থেকে নগর। শরতে হাওর বিলে পদ্ম শাপলা মুখ বের করে হাসে। শরতে ভোরের শিশির মিশে থাকে সবুজ দূর্বাঘাসে।  

Top week

সাহিত্য

নগরীর দেবী

অক্টোবর ১৬, ২০২৬ 0