Breaking news
বাংলাদেশ

লংমার্চে বাধা দিলে সরকার জনরোষের মুখে পড়তে পারে : মিয়া গোলাম পরওয়ার

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট ডেস্ক রিপোর্ট
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ • 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চে সরকারি দল বা প্রশাসন বাধা দিলে তারা জনরোষের মুখে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবারের এই কর্মসূচির সর্বশেষ প্রস্তুতি জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেছেন।

 

লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক গোলাম পরওয়ার বলেন, “শনিবার সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে রাজধানীর শাপলা চত্বরে প্রথম সমাবেশের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোড, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ও চৌদ্দগ্রাম এবং ফেনীর মহিপাল হয়ে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ সমাবেশ হবে লালদীঘি ময়দানে, যেখানে যানজট না থাকলে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বহরটি পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জনভোগান্তি এড়াতে পথসভাগুলোয় নির্দিষ্ট কয়েকজন নেতাই কেবল বক্তব্য রাখবেন এবং পথে নতুন যুক্ত হওয়া গাড়িগুলো বহরের একেবারে শেষ দিকে থাকবে।”

 

সরকার উৎখাতের কোনো লক্ষ্য তাঁদের নেই উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বিরোধী দল সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে এ কর্মসূচি পালন করছে। তাই কর্মসূচি সফল করতে সরকারের প্রশাসনিক সহযোগিতা দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, ১৮০ দিনের মধ্যে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের কথা থাকলেও সরকার তা করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। সমাজে অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও বিগত সরকারের আমলের মতো লুটপাট, বর্বরতা ও দলীয়করণের চর্চা বর্তমান সরকার এখনো অব্যাহত রেখেছে।


সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, শান্তিপূর্ণ এই কর্মসূচিতে কোনো বিশৃঙ্খলা বা হামলা হলে তার দায় সম্পূর্ণ সরকারি দলকে নিতে হবে এবং এর কঠোর জবাব দেয়া হবে।

 

উল্লেখ্য, লংমার্চের শৃঙ্খলার জন্য অংশগ্রহণকারীদের ডেলিগেট কার্ড, গাড়িতে স্টিকার এবং মেডিকেল ও আইটি টিমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

 

0 Comments

Popular post
চিঠি

সাদা খামে লিখব চিঠি মায়ের ঠিকানায় মা যে আমার বেঘোর ঘুমে একলা নিরালায়।   গাছের ছায়ায় নিরিবিলি মেলে না চোখ  আর মা মা বলে ডাকি কত আমি যে বারবার।   চিঠি পেলে যদি মায়ের ভাঙে এবার ঘুম ঝাঁপটে ধরে মায়ের পায়ে দেব হাজার চুম।   আঁচল তলে চুপটি করে লুকিয়ে আমার মুখ গন্ধ নেব মায়ের গায়ের লুটব যত সুখ।   লক্ষ্মী পিয়ন কথা রেখো মাকে চিঠি দিয়ো আসা যাওয়ার ভাড়াটুকু আমার থেকে নিয়ো।   বড়ই আশায় আছি আমি পাব মায়ের খোঁজ তথ্য নিতে আসব আমি তোমার বাড়ি রোজ।  

ন-নামা

না জানিয়া না বুঝিয়া না শুনিয়া না মানিয়া নাইতে নামিয়া নদীতে নমিতা নাশিকায় নিশ্বাস নিতে নাপারিয়া নিমেষেই নিজের নাড়ির নিনাদ নিষ্প্রাণ নীরব, নিষ্প্রভ, নীলাভ।   না হেরি নিলয়ে না খেয়ে না নেয়ে নমিতার নৃপতি নব নিশীথে নিবিড় নৈবেদ্যে নমিল নিজেকে নদে   নীলাম্বরের নির্মেঘ নিশি নির্দয় নহরের নির্জনতা নাশি নীপবনে না জানি নিবংশ নমিতা নিরধির নির্ঝর নিধি, নিপাবলির নিরন্তর নৃত্যে নিজেকে নাটকীয় নৈকট্যে নিবেদন।   নেই! নেই! নিয়তির নির্মম নিঘাত নমিতা নিধনে নদ নিত্য নিশাত নীহারিকায় নির্লিপ্ত নিগূঢ় নির্বিকার।   নমিতা নাই-বা নামিবে নরকায় নিষেধ নেই তো নিগ্রহ নাশি নমিতার নিত্য নাদিম নব নিরুদ্দেশী।  

কিশোর গ্যাং এবং আমাদের তরুণ প্রজন্ম

একটি দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো তার তরুণ প্রজন্ম। তারুণ্যের উদ্দীপনা, সৃষ্টিশীলতা এবং অদম্য শক্তিই একটি রাষ্ট্রকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক অন্যতম প্রধান উদ্বেগের নাম ‘কিশোর গ্যাং’। কৈশোরের যে সময়টিতে হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, খেলার বল কিংবা সৃজনশীলতার উপকরণ, সেই বয়সে একশ্রেণির কিশোরের হাতে দেখা যাচ্ছে ধারালো অস্ত্র, মাদক এবং অপরাধের নীল নকশা। আমাদের অমিত সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ যেভাবে এই চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তা কেবল একটি পারিবারিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে।   সাধারণত ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোরদের দলবদ্ধ হয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার সংস্কৃতিকে 'কিশোর গ্যাং' বলা হয়। মনোবিজ্ঞানী ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, কৈশোরে দলবদ্ধ হয়ে থাকার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা থাকে, যা তাদের সামাজিকীকরণে সাহায্য করে। কিন্তু এই দলবদ্ধতা যখন নেতিবাচক রূপ নেয় এবং পাড়া-মহল্লায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা ও খুনোখুনির মতো অপরাধে জড়ায়, তখন তা গ্যাং কালচারে পরিণত হয়। বর্তমান সমাজে এর বিস্তৃতি রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা শহর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন নামে এরা নিজেদের দল পরিচালনা করে এবং নিজেদের শক্তির জানান দিতে প্রায়ই লিপ্ত হয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে।   কোনো কিশোর একদিনেই অপরাধী বা গ্যাংয়ের সদস্য হয়ে ওঠে না, এর পেছনে রয়েছে সামাজিক, পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক নানাবিধ কারণ। বর্তমান যুগের যান্ত্রিক জীবনে পারিবারিক অসচেতনতা ও দূরত্বের অভাব এর অন্যতম প্রধান কারণ। পরিবারের সঠিক তদারকি না থাকা, মা-বাবার মধ্যকার কলহ এবং সন্তানদের সাথে গুণগত সময় না কাটানোর ফলে কিশোররা একাকিত্বে ভোগে এবং এই শূন্যতা পূরণের জন্য বাইরের বন্ধুদের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে শহরাঞ্চলে কিশোরদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ কিংবা বিনোদনের চরম সংকট রয়েছে। ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি প্রকাশের কোনো সুস্থ মাধ্যম তারা পাচ্ছে না।   এই গ্যাং কালচার গড়ে ওঠার পেছনে আরেকটি বড় জ্বালানি হিসেবে কাজ করে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু ‘বড় ভাই’। এই স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বা মিছিল-মিটিংয়ে লোক বাড়াতে কিশোরদের ব্যবহার করে এবং তাদের আইনি সুরক্ষা দেয়ার লোভ দেখিয়ে অপরাধের পথে ঠেলে দেয়। একই সাথে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তির অপব্যবহার ও সোশ্যাল মিডিয়া। টিকটক, লাইকি বা বিভিন্ন অনলাইন গেমসের মাধ্যমে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভ এবং ইন্টারনেটে সহিংসতা দেখে তারা বাস্তবেও তার অনুকরণ করার চেষ্টা করে। এর ওপর মাদকের সহজলভ্যতা কিশোরদের আরও বেশি বেপরোয়া করে তুলছে, কারণ নেশার টাকা জোগাড় করতেই তারা প্রথম দিকে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে নামছে। কিশোর গ্যাং কালচার আমাদের সামগ্রিক তরুণ প্রজন্মের মনস্তত্ত্বে এক গভীর ক্ষত তৈরি করছে এবং দেশের মেধার অপচয় ঘটাচ্ছে।   দেশের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি এই তরুণরা যখন পড়ালেখা ছেড়ে অপরাধের খাতায় নাম লেখায়, তখন দেশ এক বিশাল দক্ষ জনশক্তি হারায়। এর ফলে সমাজে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়, যার কারণে সাধারণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীরাও স্কুল-কলেজে যেতে ভয় পায়। পাড়া-মহল্লায় এই ভয়ের সংস্কৃতি সুস্থ তরুণদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। তা ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার দেখে অন্য সাধারণ কিশোরদের মধ্যেও আইন অমান্য করা, বড়দের অসম্মান করা এবং দ্রুত ও অনৈতিক উপায়ে টাকা আয়ের ভুল মানসিকতা বা নৈতিক অবক্ষয় তৈরি হচ্ছে। এই কিশোর অপরাধ কেবল তরুণদেরই ধ্বংস করছে না, বরং সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তাকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে। চুরি, ছিনতাই এবং তুচ্ছ কারণে খুনের ঘটনা প্রতিনিয়ত খবরের কাগজের শিরোনাম হচ্ছে।   আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত এদের গ্রেপ্তার করলেও মূল শেকড় উপড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, কারণ এদের পেছনে থাকা গডফাদাররা অধরাই থেকে যায়। একটি দেশের তরুণ সমাজ যদি এভাবে অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে সেই রাষ্ট্রের টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এ-জাতীয় ব্যাধি থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে সমন্বিত ও বহুমুখী উদ্যোগ প্রয়োজন, যার সূচনা হতে হবে পরিবার থেকে। মা-বাবাকে সন্তানের প্রতি আরও বন্ধুসুলভ হতে হবে এবং সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে বা ইন্টারনেটে কী দেখছে—সে বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ রাখতে হবে। এর পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাঠাগার গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায়।   প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানকে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়া অত্যন্ত জরুরি, যা তাদের ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে শেখাবে। একই সাথে কিশোরদের যারা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, সেই সব তথাকথিত রাজনৈতিক বড় ভাইদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোরও উচিত কিশোরদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বন্ধ করা। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি কিশোর অপরাধীদের সাধারণ জেলে না রেখে কিশোর উন্নয়ন বা সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো উচিত। সেখানে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে তাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।   তরুণ প্রজন্ম একটি দেশের স্বপ্ন, প্রেরণা ও সম্ভাবনার প্রতীক। কিশোর গ্যাংয়ের মতো একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি এই বিপুল সম্ভাবনাকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে না। এটি কেবল আইন প্রয়োগ করে বা জোরপূর্বক দমন করা সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক আন্দোলন। সরকার, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজ যদি একযোগে কাজ করে কিশোরদের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, তবেই আমাদের তরুণ প্রজন্ম এই অন্ধকার পথ থেকে ফিরে আসবে এবং একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারবে।  

সেই নীড়

যাচ্ছি  আমি নীড় ছেড়ে ইট পাথরের নগরে। দুঃখ আমার চিরসাথী বিষাদময় এ জীবনের। বাস্তবতার দাবদাহে পুড়ছি আমি অবিরাম। দেখছি কত বহুরূপী আঁধার এ পৃথিবীতে। সইছি কত বিষ-বাণী  কাছের প্রিয় মানুষ হতে শত বাধার ভিড়ে আমি জয়ী হয়ে ফিরব নীড়ে ফিরব আমি বীরের বেশে চিরচেনা সেই নীড়ে।  

শরৎ

শরতের আকাশ যেন সাদা মেঘের ভেলা শরতে স্বচ্ছ সরোবরে দলবেঁধে মেটে রাজহাঁস খেলে ডুব-সাঁতারের খেলা।   শরতের মাঠে মাঠে মাথা নেড়ে দোলে শুভ্র রঙের কাশ শরতের নীল আকাশে উড়ে বেড়ায় লাল ঝুঁটি ভূঁতিহাস।   শরতে পথে পথে ফোটে শিউলি, শেফালি ও টগর শরতে তালের পিঠা উৎসবে মাতে পল্লি থেকে নগর। শরতে হাওর বিলে পদ্ম শাপলা মুখ বের করে হাসে। শরতে ভোরের শিশির মিশে থাকে সবুজ দূর্বাঘাসে।  

বাংলাদেশ

View more
ছবি : সংগৃহীত
মন্ত্রিসভা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ইশরাক হোসেন। সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এর আগেই তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে গিয়ে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন।   সম্প্রতি অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে ব্যাপক বিতর্কের মুখে পড়েন এই প্রতিমন্ত্রী। এর জের ধরে গতকাল রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে ডেকে নিয়ে পদত্যাগের নির্দেশ দেন।   পদত্যাগের বিষয়ে ইশরাক জানান, মাদকবিরোধী অভিযানের কারণেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং দলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে তিনি নিজেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদ হারালেও ভবিষ্যতে মাদকের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিয়ে মাঠে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।  

অক্টোবর ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ইশরাকের পদত্যাগপত্র প্রস্তুত, জমা দিয়েই করবেন সংবাদ সম্মেলন

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশি দুই প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড : সৌদি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান আব্দুল হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত
অসংক্রামক রোগে বছরে ৫ লাখ ৭১ হাজার মানুষের মৃত্যু

দেশে বছরে বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার ২৬৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়। গবেষণাপ্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞার তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশই ঘটে অসংক্রামক রোগে, যার মধ্যে ১৯ শতাংশই অকালমৃত্যু। অথচ এ সংকট মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বাজেটের মাত্র ৪.২ শতাংশ ব্যয় করা হচ্ছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।   রোববার রাজধানীর বিএমএ ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক কর্মশালায় এসব চিত্র তুলে ধরেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এতে জানানো হয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী দেশের শীর্ষ ১০টি রোগের তালিকায় প্রথমে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। দেশে হৃদরোগে মোট মৃত্যুর ৫২ শতাংশের জন্যই দায়ী এই রোগ এবং বর্তমানে ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সী তরুণদের ১২ শতাংশই এতে ভুগছেন।   বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, বর্ধিত স্বাস্থ্য বরাদ্দের একটি বড় অংশ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যয় করা গেলে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাবে। পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিনা মূল্যের ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে টেকসই অর্থায়নের তাগিদ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা জনসমক্ষে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

অস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযান : পুলিশের তদন্ত শুরু

আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

ঈশ্বরদীতে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছবি : সংগৃহীত
কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটক নিহত

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটোয়ারটেক সৈকতের একটি কাঠের রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন পর্যটক নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন ওই রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁয় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত আরও ছয়জনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।   জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হতাহতদের সবাই পর্যটক হিসেবে সেখানে অবস্থান করছিলেন। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ইতোমধ্যে ৭ জনের মরদেহ শনাক্ত করেছেন। এ ছাড়া আগুনে আরও বেশ কয়েকজন রিসোর্টের ভেতরে আটকা পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালান। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে।   এদিকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। এ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশ বিআরটিএর

পাবনায় ১১টি থানায় নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার জব্দকৃত যানবাহন

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

সংশ্লিষ্ট খবর

ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ

মন্ত্রিসভা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন ইশরাক

অক্টোবর ১৯, ২০২৬ 0