যুক্তরাজ্যে ১৬ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। নিজের বাড়িতে উইম্বলডন খেলা দেখার সময় ওই ছাত্রের সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়ান বলে জানা গেছে। নিউইয়র্ক পোস্ট এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
অভিযুক্ত ব্রনওয়েন জেমস সাউদাম্পটনের একটি স্কুলে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক। প্রসিকিউশন জানায়, স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে ওই কিশোরের সঙ্গে তাঁর আলাপ শুরু হয়, যা পরে ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয়।আদালতে জানানো হয়, তাঁরা প্রথমে বাইরে দেখা করে গাড়িতে অন্তরঙ্গ হন। পরে শিক্ষিকার বাড়িতে একসঙ্গে খেলা দেখার সময় তাঁরা চূড়ান্ত শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন।
প্রসিকিউশনের দাবি, জেমস ওই কিশোরকে ভালোবাসার কথা জানিয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এমনকি একান্ত মুহূর্তে ওই শিক্ষার্থীকে তিনি ‘মিস’ বলে ডাকতে বাধ্য করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী কিশোর জানিয়েছে, শুরুতে সম্পর্কটি তার কাছে ভালো মনে হলেও পরে সে আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পারে। সে উপলব্ধি করে, শিক্ষিকা ধীরে ধীরে তাকে সম্পূর্ণ নিজের প্রভাবের মধ্যে নিয়ে গিয়েছিলেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্রনওয়েন জেমস অবশ্য আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে আনা এসব গুরুতর অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন।
সাদা খামে লিখব চিঠি মায়ের ঠিকানায় মা যে আমার বেঘোর ঘুমে একলা নিরালায়। গাছের ছায়ায় নিরিবিলি মেলে না চোখ আর মা মা বলে ডাকি কত আমি যে বারবার। চিঠি পেলে যদি মায়ের ভাঙে এবার ঘুম ঝাঁপটে ধরে মায়ের পায়ে দেব হাজার চুম। আঁচল তলে চুপটি করে লুকিয়ে আমার মুখ গন্ধ নেব মায়ের গায়ের লুটব যত সুখ। লক্ষ্মী পিয়ন কথা রেখো মাকে চিঠি দিয়ো আসা যাওয়ার ভাড়াটুকু আমার থেকে নিয়ো। বড়ই আশায় আছি আমি পাব মায়ের খোঁজ তথ্য নিতে আসব আমি তোমার বাড়ি রোজ।
না জানিয়া না বুঝিয়া না শুনিয়া না মানিয়া নাইতে নামিয়া নদীতে নমিতা নাশিকায় নিশ্বাস নিতে নাপারিয়া নিমেষেই নিজের নাড়ির নিনাদ নিষ্প্রাণ নীরব, নিষ্প্রভ, নীলাভ। না হেরি নিলয়ে না খেয়ে না নেয়ে নমিতার নৃপতি নব নিশীথে নিবিড় নৈবেদ্যে নমিল নিজেকে নদে নীলাম্বরের নির্মেঘ নিশি নির্দয় নহরের নির্জনতা নাশি নীপবনে না জানি নিবংশ নমিতা নিরধির নির্ঝর নিধি, নিপাবলির নিরন্তর নৃত্যে নিজেকে নাটকীয় নৈকট্যে নিবেদন। নেই! নেই! নিয়তির নির্মম নিঘাত নমিতা নিধনে নদ নিত্য নিশাত নীহারিকায় নির্লিপ্ত নিগূঢ় নির্বিকার। নমিতা নাই-বা নামিবে নরকায় নিষেধ নেই তো নিগ্রহ নাশি নমিতার নিত্য নাদিম নব নিরুদ্দেশী।
একটি দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো তার তরুণ প্রজন্ম। তারুণ্যের উদ্দীপনা, সৃষ্টিশীলতা এবং অদম্য শক্তিই একটি রাষ্ট্রকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক অন্যতম প্রধান উদ্বেগের নাম ‘কিশোর গ্যাং’। কৈশোরের যে সময়টিতে হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, খেলার বল কিংবা সৃজনশীলতার উপকরণ, সেই বয়সে একশ্রেণির কিশোরের হাতে দেখা যাচ্ছে ধারালো অস্ত্র, মাদক এবং অপরাধের নীল নকশা। আমাদের অমিত সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ যেভাবে এই চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তা কেবল একটি পারিবারিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে। সাধারণত ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোরদের দলবদ্ধ হয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার সংস্কৃতিকে 'কিশোর গ্যাং' বলা হয়। মনোবিজ্ঞানী ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, কৈশোরে দলবদ্ধ হয়ে থাকার একটি স্বাভাবিক প্রবণতা থাকে, যা তাদের সামাজিকীকরণে সাহায্য করে। কিন্তু এই দলবদ্ধতা যখন নেতিবাচক রূপ নেয় এবং পাড়া-মহল্লায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা ও খুনোখুনির মতো অপরাধে জড়ায়, তখন তা গ্যাং কালচারে পরিণত হয়। বর্তমান সমাজে এর বিস্তৃতি রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা শহর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন নামে এরা নিজেদের দল পরিচালনা করে এবং নিজেদের শক্তির জানান দিতে প্রায়ই লিপ্ত হয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। কোনো কিশোর একদিনেই অপরাধী বা গ্যাংয়ের সদস্য হয়ে ওঠে না, এর পেছনে রয়েছে সামাজিক, পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক নানাবিধ কারণ। বর্তমান যুগের যান্ত্রিক জীবনে পারিবারিক অসচেতনতা ও দূরত্বের অভাব এর অন্যতম প্রধান কারণ। পরিবারের সঠিক তদারকি না থাকা, মা-বাবার মধ্যকার কলহ এবং সন্তানদের সাথে গুণগত সময় না কাটানোর ফলে কিশোররা একাকিত্বে ভোগে এবং এই শূন্যতা পূরণের জন্য বাইরের বন্ধুদের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে শহরাঞ্চলে কিশোরদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ কিংবা বিনোদনের চরম সংকট রয়েছে। ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি প্রকাশের কোনো সুস্থ মাধ্যম তারা পাচ্ছে না। এই গ্যাং কালচার গড়ে ওঠার পেছনে আরেকটি বড় জ্বালানি হিসেবে কাজ করে স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু ‘বড় ভাই’। এই স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বা মিছিল-মিটিংয়ে লোক বাড়াতে কিশোরদের ব্যবহার করে এবং তাদের আইনি সুরক্ষা দেয়ার লোভ দেখিয়ে অপরাধের পথে ঠেলে দেয়। একই সাথে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তির অপব্যবহার ও সোশ্যাল মিডিয়া। টিকটক, লাইকি বা বিভিন্ন অনলাইন গেমসের মাধ্যমে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভ এবং ইন্টারনেটে সহিংসতা দেখে তারা বাস্তবেও তার অনুকরণ করার চেষ্টা করে। এর ওপর মাদকের সহজলভ্যতা কিশোরদের আরও বেশি বেপরোয়া করে তুলছে, কারণ নেশার টাকা জোগাড় করতেই তারা প্রথম দিকে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে নামছে। কিশোর গ্যাং কালচার আমাদের সামগ্রিক তরুণ প্রজন্মের মনস্তত্ত্বে এক গভীর ক্ষত তৈরি করছে এবং দেশের মেধার অপচয় ঘটাচ্ছে। দেশের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি এই তরুণরা যখন পড়ালেখা ছেড়ে অপরাধের খাতায় নাম লেখায়, তখন দেশ এক বিশাল দক্ষ জনশক্তি হারায়। এর ফলে সমাজে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়, যার কারণে সাধারণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীরাও স্কুল-কলেজে যেতে ভয় পায়। পাড়া-মহল্লায় এই ভয়ের সংস্কৃতি সুস্থ তরুণদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। তা ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার দেখে অন্য সাধারণ কিশোরদের মধ্যেও আইন অমান্য করা, বড়দের অসম্মান করা এবং দ্রুত ও অনৈতিক উপায়ে টাকা আয়ের ভুল মানসিকতা বা নৈতিক অবক্ষয় তৈরি হচ্ছে। এই কিশোর অপরাধ কেবল তরুণদেরই ধ্বংস করছে না, বরং সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তাকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে। চুরি, ছিনতাই এবং তুচ্ছ কারণে খুনের ঘটনা প্রতিনিয়ত খবরের কাগজের শিরোনাম হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত এদের গ্রেপ্তার করলেও মূল শেকড় উপড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, কারণ এদের পেছনে থাকা গডফাদাররা অধরাই থেকে যায়। একটি দেশের তরুণ সমাজ যদি এভাবে অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে সেই রাষ্ট্রের টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এ-জাতীয় ব্যাধি থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে সমন্বিত ও বহুমুখী উদ্যোগ প্রয়োজন, যার সূচনা হতে হবে পরিবার থেকে। মা-বাবাকে সন্তানের প্রতি আরও বন্ধুসুলভ হতে হবে এবং সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে বা ইন্টারনেটে কী দেখছে—সে বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ রাখতে হবে। এর পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাঠাগার গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানকে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়া অত্যন্ত জরুরি, যা তাদের ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে শেখাবে। একই সাথে কিশোরদের যারা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, সেই সব তথাকথিত রাজনৈতিক বড় ভাইদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোরও উচিত কিশোরদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বন্ধ করা। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি কিশোর অপরাধীদের সাধারণ জেলে না রেখে কিশোর উন্নয়ন বা সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো উচিত। সেখানে আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে তাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। তরুণ প্রজন্ম একটি দেশের স্বপ্ন, প্রেরণা ও সম্ভাবনার প্রতীক। কিশোর গ্যাংয়ের মতো একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি এই বিপুল সম্ভাবনাকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে না। এটি কেবল আইন প্রয়োগ করে বা জোরপূর্বক দমন করা সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক আন্দোলন। সরকার, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজ যদি একযোগে কাজ করে কিশোরদের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, তবেই আমাদের তরুণ প্রজন্ম এই অন্ধকার পথ থেকে ফিরে আসবে এবং একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারবে।
যাচ্ছি আমি নীড় ছেড়ে ইট পাথরের নগরে। দুঃখ আমার চিরসাথী বিষাদময় এ জীবনের। বাস্তবতার দাবদাহে পুড়ছি আমি অবিরাম। দেখছি কত বহুরূপী আঁধার এ পৃথিবীতে। সইছি কত বিষ-বাণী কাছের প্রিয় মানুষ হতে শত বাধার ভিড়ে আমি জয়ী হয়ে ফিরব নীড়ে ফিরব আমি বীরের বেশে চিরচেনা সেই নীড়ে।
শরতের আকাশ যেন সাদা মেঘের ভেলা শরতে স্বচ্ছ সরোবরে দলবেঁধে মেটে রাজহাঁস খেলে ডুব-সাঁতারের খেলা। শরতের মাঠে মাঠে মাথা নেড়ে দোলে শুভ্র রঙের কাশ শরতের নীল আকাশে উড়ে বেড়ায় লাল ঝুঁটি ভূঁতিহাস। শরতে পথে পথে ফোটে শিউলি, শেফালি ও টগর শরতে তালের পিঠা উৎসবে মাতে পল্লি থেকে নগর। শরতে হাওর বিলে পদ্ম শাপলা মুখ বের করে হাসে। শরতে ভোরের শিশির মিশে থাকে সবুজ দূর্বাঘাসে।
সৌদি আরবের নাজরান সীমান্তে একটি সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ঘটনাটিতে হেলিকপ্টারে থাকা দুই পাইলট নিহত হয়েছেন। তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দাবিটি নাকচ করে জানিয়েছে, মূলত যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই তাদের পর্যবেক্ষণ হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে। সৌদি জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, নাজরান এলাকায় ন্যাশনাল গার্ডের এএইচ-সিক্সআই মডেলের হেলিকপ্টারটি যান্ত্রিক গোলযোগের কবলে পড়ে। গত জুলাইয়ে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর এটিই তাদের সামরিক সদস্য নিহতের প্রথম ঘটনা। ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে সৌদি জোট হুতিদের বিরুদ্ধে লাগাতার বিমান হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে লোহিত সাগরের কৌশলগত এলাকা দখলের পর হুতিরাও রিয়াদ বিমানবন্দর ও তেলের স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ জোরদার করেছে।
ভারতে দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্ক দুদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পূর্বঘোষিত ‘তিরঙ্গা মার্চ’ বা পতাকা পদযাত্রা ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সমাবেশ রুখতে রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ২৫ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সিজেপির শীর্ষ দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এ কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়। পাশাপাশি ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দলটির পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। পূর্বে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা থাকায় দলটি সমাবেশের নতুন স্থান হিসেবে সেন্ট্রাল পার্ককে বেছে নেয়। সমাবেশ ঘিরে সেন্ট্রাল পার্ক ও সংলগ্ন রাজীব চক মেট্রো স্টেশনে নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ মানুষকে এ কর্মসূচিতে অংশ না নেয়ার আহ্বান জানিয়ে নয়াদিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল বিজ্ঞপ্তিতে পার্ক বন্ধের কথা জানায়। এদিকে অনুষ্ঠানে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ও আম আদমি পার্টির নেতাদের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। দিল্লি পুলিশ কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মেট্রো পরিষেবা আপাতত সচল থাকলেও প্রয়োজনে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে নির্দিষ্ট কোনো দলকে উপযুক্ত স্থানে পতাকা বহন ও জাতীয় সংগীত গাওয়ার সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করেছে পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ধর্না কর্মসূচিতে বসার পর পুলিশ এ পদক্ষেপ নেয়। দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউ বাসস্ট্যান্ডের নিকটবর্তী এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একদল নেতা-কর্মী সেখানে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলে পুলিশ তাঁদের কর্মসূচি থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ উপস্থিত নেতাদের জোরপূর্বক সরিয়ে নেয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি তৃণমূলের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যকেও আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, সামিরুল ইসলাম ও সাকেত গোখলে। তথ্যসূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস